ডেস্ক :
দীর্ঘদিন শান্ত থাকা উত্তর-পূর্ব ভারতের অরুণাচলও যেন অশান্ত হওয়ার চেষ্টা করছে। সেখানকার সীমান্তে সেনা মোতায়েন বাড়িয়েছে ভারত-চীন উভয়ই। আর এই সুযোগে স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীরাও আবার জেগে উঠছে। রোববার প্রদেশটির চাংলাং অঞ্চলে সেনা বাহিনীর পানির ট্যাঙ্কারে আক্রমণ চালালে ঘটনাস্থলেই এক ভারতীয় জওয়ান নিহত এবং একজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাকে তাৎক্ষণিকভাবেই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

জার্মান গণমাধ্যম ডয়চে ভেলের খবরে বলা হয়, প্রায় এক বছর পর অরুণাচলে ভারতীয় সেনাদের ওপর আক্রমণ চালিয়েছে স্থানীয় সন্ত্রাসী গোষ্ঠীরা। তবে ঠিক কারা এই হামলা চালিয়েছে তা এখনো কেউ স্বীকার করেনি। লাদাখ সীমান্তে উত্তেজনার মধ্যেই এবার অরুণাচলে ভারতীয় সেনাদের ওপর হামলার ঘটনা নতুন মাত্রা যোগ করেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সেনা সূত্র জানায়, চাংলাং অঞ্চলে ভারতীয় সেনা ক্যাম্প থেকে একটি ট্যাঙ্কার পার্শ্ববর্তী গ্রামে পানি ভরতে যাচ্ছিল। এমন সময় পাশের জঙ্গলে লুকিয়ে থাকা অন্তত ২০ জন সন্ত্রাসী প্রথমে বিস্ফোরণ ঘটায়, এরপর এলোপাথাড়ি গুলি চালায়। জওয়ানরা পাল্টা জবাব দেয়ার আগেই পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় তারা।

কেউ এ হামলার দায় স্বীকার না করলেও ধারণা করা হচ্ছে, পরেশ বড়ুয়ার আলফা স্বাধীন এবং নিকি সুমির খাপলাং শাখার লোকেরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। কারণ দুই দিন আগেই অরুণাচলের তিরাপ, চাংলাং, লংডিং জেলাকে অশান্ত এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর ওই এলাকাতেই থাকে সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলো।