ডেস্ক :
বাংলাদেশ-ভারত স্থল সীমান্তে সব ধরণের যাতায়াত আরো ১৪ দিন বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত স্থলসীমান্ত বন্ধ থাকবে। ভারতের করোনা পরিস্থিতি কিছুটা উন্নতির দিকে থাকলেও এখনই প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে সীমান্ত খুলতে চায় না সরকার।
সোমবার (২৮ জুন) এ সংক্রান্ত অষ্টম আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আজ এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠক সূত্রে জানা এ তথ্য জানা গেছে।

পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ভার্চুয়াল সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সুরক্ষা সেবা শাখা, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্বশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি এবং সীমান্ত জেলাগুলোর প্রশাসকরা অংশ নেন।

সভার সিদ্ধান্ত মতে, ১৪ জুলাই পর্যন্ত সীমান্তের সব স্থলবন্ধর বন্ধ থাকবে। তবে জরুরি প্রয়োজনে অনুমতি সাপেক্ষে চলাচল করা যাবে। পণ্য পরিবহন আগের নিয়মে চলবে।

উল্লেখ্য, ভারতে করোনা পরিস্থিতি খারাপ হওয়ায় গত ২৬ এপ্রিল দেশটির স‌ঙ্গে ১৪ দি‌নের জন্য সব ধর‌নের সীমান্ত বন্ধ ক‌রে বাংলা‌দেশ। পরবর্তীতে সীমান্ত বন্ধের মেয়াদ কয়েক দফায় বাড়ানো হয়। সবশেষ ঘোষণা অনুযায়ী ৩০ জুন পর্যন্ত সীমান্ত বন্ধ রাখার কথা বলা হয়।

ত‌বে সীমান্ত বন্ধ থাকলেও প্রথম দফায় দেশ‌টি‌তে আটকেপড়া বাংলা‌দে‌শি নাগ‌রিক‌দের ম‌ধ্যে যা‌দের ভিসার মেয়াদ ১৫ দিন বা তার চে‌য়ে কম ছিল তা‌দের ১৪ দি‌নের বাধ্যতামূলক কোয়া‌রেন্টাইনের শ‌র্তে দে‌শে ফেরার সু‌যোগ দেওয়া হয়। এখনো একই নিয়মে দেশে ফিরতে পারছেন বাংলাদেশিরা।

সীমান্ত বন্ধ করে দেওয়ার পর বেনাপোল, আখাউড়া ও বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে দেশে প্রবেশের সুবিধা পান বাংলা‌দে‌শিরা। পরে অবশ্য দর্শনা, হিলি ও সোনামুখী বন্দর দিয়েও ফেরার সুযোগ দেয় সরকার। এরপর সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনার প্রকোপ বাড়ায় সোনামুখী বন্দর দিয়ে বাংলাদেশিদের দেশে ফেরা বন্ধ করে সরকার।