উজ্জ্বল চক্রবর্ত্তী শিশির, দুপচাঁচিয়া থেকে : উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রসিদ্ধ হাট বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া ধাপ-হাট ।এই হাটের বৈশিষ্ট্য হলো একটি পরিবারের সংসারের জন্য যে যে জিনিষের প্রয়োজন এই ধাপেরহাটে প্রতিটি দ্রব্য ও পণ্য কিনার জন্য আলাদা আলাদা স্থান রয়েছে। দুপচাঁচিয়া ধাপ সুলতানগঞ্জ হাট আমরা ছোটকাল থেকে দেখে এসেছি এবং দাদা/নানার হাত ধরে বাদাম,কালাই খাওয়ার জন্য জিৎ করতাম পরে কিনে দিতো। এই হাটের জন্মকাল থেকে বাঁশের তৈরি বিভিন্ন ধরনের বাহারি পণ্য কেনা বেচাঁ হতো।একটি পরিবারের সংসারের জন্য প্রয়োজনীয় বাশেঁর তৈরি যেমন-রকমারী ডালা ,চালুন,খঁইচালা,কুলো,মাছ ধরার পলইয়ের চাহিদা ,বাশেঁর তৈরি মই,খিলের ঝাটাঁ ইত্যাদি পণ্য খুব সুলভ মূল্যে কিনতে পারা যায়।গত প্রায় এক বছর ভয়াবহ করোনার ভাইরাস রোগের কারনে ঐতিহ্যবাহী বাঁশশিল্প অনেকটায় বিক্রির হার কমেছে ।করোনার কারনে তল্লাবাশেঁ দাম আগের চেয়ে অনেকাংশে বৃদ্ধি পেয়েছে ,যার প্রতি বাশেঁর দাম আগে ছিলো ৮০/১০০ টাকা,বর্তমানে বাশেঁ দাম ১৪০/১৮০ টাকা পযর্ন্ত।বাঁশশিল্প কারিগরেরা বেশী দামে বাঁশ কিনে এইসব পণ্য বানিয়ে কোন রকমে ছেলেমেয়ে নিয়ে সংসার চালাচ্ছে বলে সান্তাহার এলাকার সান্দিরা গ্রামের নিমাই সরকার প্রতিবেদককে জানান ।গত ২০ শে জুন দুপচাঁচিয়া পালপাড়ার গৌতম বৈরাগী সাথে কথা বলে জানা যায় আমাদের বাব-দাদার আমল থেকে কুলা,বিভিন্ন ধরনের চালন ,ছোট ছোট ডালা ও ফুলঝুরি বানিয়ে প্রতি বৃহস্পতিবারে সুনামধন্য প্রসিদ্ধ ধাপহাটে নিয়ে বিক্রির জন্য অপেক্ষা করলে বিভিন্ন এলাকার গ্রাহক বা ক্রেতা কিনে নিয়ে যায়। বাংলাদেশে এত বাহারী বাশেঁর তৈজসপত্র অন্য এলাকায় খুব কম হাটেই দেখা যায়,যেটা উত্তরবঙ্গের অন্যতম প্রসিদ্ধ হাট বগুড়া জেলার দুপচাঁচিয়া ধাপ-হাটে সব সময়ে ক্রেতা কিনতে পারে বলে ধাপহাট বাঁশ শিল্পের জন্য বৈশিষ্ট্য ।