নোতুন খবর.কম :
বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য সাবেক এমপি মোঃ হেলালুজ্জামান তালুকদার লালু বলেছেন, এই সরকার সুপরিকল্পিতভাবে নির্বাচন ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। শুধু নির্বাচন ব্যবস্থাকে নয় তারা গণতন্ত্র ব্যবস্থাকে ধ্বংস করে দিয়েছে। নির্বাচন কমিশন একটা অযোগ্য প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। সেই কারণে দেখেছি ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন ২৯ তারিখে হয়েছে। রাতের অন্ধকারে জনগণের অধিকারকে তারা লুট করে নিয়েছে। তারপর থেকে দেখেছি, যতগুলো নির্বাচন এই সরকারের অধীনে নির্বাচন কমিশনের অধীনে হয়েছে প্রত্যেকটা নির্বাচনে তাদের পক্ষে লুট করে নিয়েছে। ঢাকা-১৮ এবং সিরাজগঞ্জ-১ আসনের উপ-নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতি নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও গ্রেফতারের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসাবে গতকাল রবিবার সকালে বগুড়া জেলা বিএনপির আয়োজিত দলীয় কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সাবেক এমপি লালু বলেন, বিএনপির গণতন্ত্রকে বিশ্বাস করে বলেই এখনো প্রত্যেকটা নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। কেন নিচ্ছি? কারণ আমরা বিশ্বাস করি গণতন্ত্রে নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন হবে। অন্য কোনোভাবে আমরা সরকার পরিবর্তনের কথা চিন্তাও করি না, ভাবিও না। কারণ আমাদের দল একটি উদারপন্থী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। তিনি আরো বলেন, অতীতের সকল নির্বাচন বাতিল করে একটি নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে এবং একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের পরিচালনায় নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন। এটাই একমাত্র সমাধান। আমাদের নির্বাচন কমিশন বলে আওয়ামী লীগ জিতলেই নির্বাচন সুষ্ঠ! নির্বাচনের পরিবেশ কেমন ছিলো, ভোটার গেলো কি গেলো না সেটি বিবেচ্য নয়। আজকে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। এটা হতে পারে শুধু নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে, যে সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করবে। আমি সকল দল মত নির্বিশেষে সবাইকে আহবান জানাই, আসুন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই ফ্যাসিস্ট একদলীয় সরকাকে সরিয়ে একটা জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করি। বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম আহŸায়ক ফজলুল বারী তালুকদার বেলাল এর সভাপতিত্বে জেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য কেএম খায়রুল বাশারের পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও জেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য আলী আজগর তালুকদার হেনা, জয়নাল আবেদীন চাঁন, জেলা বিএনপির আহŸায়ক কমিটির সদস্য আহসানুল তৈয়ব জাকির, এম আর ইসলাম স্বাধীন, তৌহিদুল আলম মামুন, এনামুল কাদির এনাম, শেখ তাহা উদ্দিন নাইন, মনিরুজ্জামান মনির, সাইদুজ্জামান শাকিল, জেলা যুবদলের আহŸায়ক খাদেমুল ইসলাম খাদেম, বগুড়া সদর উজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এসএম রাসেল মামুন, গাবতলী উজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক আসশাফ আলী, শাজাহানপুর উপজেলা বিএনপি আহŸায়ক সদস্য এনামুল হক, নাজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এ বি এম মাজেদুর রহমান জুয়েল, যুগ্ম আহবায়ক সরকার মকুল, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আবু হাসান, সাধারণ সম্পাদক নূরে আলম সিদ্দিকী রিগ্যান, ময়নুল হক বকুল, নাজমা বেগম, সুরায়া জেরিন রনি, ইব্রহির হোসেন, লিটন শেখ বাঘাসহ নেতৃবৃন্দ।