নোতুন খবর.কম :
বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু বলেছেন, জাতির উজ্জ্বল নক্ষত্রদের হত্যার মাধ্যমে হানাদাররা আমাদের মেধাশূন্য করতে চেয়েছিল। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল লড়াকু বাঙালি জাতি স্বাধীনতা অর্জন করলেও যেন বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে পঙ্গু, দুর্বল ও দিক-নির্দেশনাহীন হয়ে পড়ে। মেধা ও নেতৃত্বশূন্য হয়ে পড়লে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসাবে পৃথিবীতে মাথা তুলে দাঁড়াতে পারবে না এমন নীলনকশা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই হায়েনারা বুদ্ধিজীবী হত্যাযজ্ঞে মেতে উঠেছিল। তারই ধারাবহিকতায় বঙ্গবন্ধুকে স্বপরিবারে হত্যা এবং জেল হত্যার মত নির্মন হত্যাকান্ড ঘটিয়েছে ৭১ এর পরাজিত শক্তি। নানা চক্রান্ত রুখে দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বের বুকে মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। স্বাধীনতা লাভের দীর্ঘ সময় পর আওয়ামীলীগ সরকার যুদ্ধাপরাধী ও বুদ্ধিজীবী হত্যার বিচার শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কয়েকজনের বিচারের রায় দিয়েছে আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধ ট্রাইব্যুনাল। শহীদ বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের রক্তের ঋণ শোধ করতে শত ষড়যন্ত্র, আন্তর্জাতিক চক্রান্ত, হুমকি-ধমকি উপেক্ষা করে এক গণহত্যাকারী কাদের মোল¬ার ফাঁসি কার্যকরের মাধ্যমে কলঙ্ক মোচনের শুভ সূচনা হয়েছে। তিনি বলেন, আওয়ামীলীগ ক্ষমতায় এসে বুদ্ধিজীবী হত্যাকারীদের বিচার শুরু করেছে। ইতিমধ্যে কয়েকটি রায় কার্যকর হয়েছে। বাকি সকল রায়ও কার্যকর করা হবে। দেশের উন্নয়ন অগ্রগতি রুখে দিতে পরাজিত শক্তি আবারো চক্রান্ত করছে। বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নিয়ে তারা অপপ্রচারে মেতে উঠেছে। তিনি একাত্তরের পরাজিত শক্তির সকল ষড়যন্ত্র প্রতিরোধে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
১৪ ডিসেম্বর শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে জেলা আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় তিনি কথাগুলো বলেন। সকাল সাড়ে ৮ টায় দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা আ’লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ডা: মকবুল হোসেন। এতে আরো বক্তব্য রাখেন জেলা আ’লীগের সহ-সভাপতি টি জামান নিকেতা, এড. রেজাউল করিম মন্টু, প্রদীপ কুমার রায়, আসাদুর রহমান দুলু, শাহরিয়ার আরিফ ওপেল, এড. জাকির হোসেন নবাব, অধ্যক্ষ শাহাদাত আলম ঝুনু, এড. তবিবর রহমান, সুলতান মাহমুদ খান রনি, আল রাজি জয়েল, শেরিন আনোয়ার জর্জিস, এড. শফিকুল আলম আক্কাস, নাসরিন রহমান সীমা, মাশরাফি হিরো, আনোয়ার পারভেজ রুবন, রুহুল মোমিন তারিক, এস এম শাহজাহান, সম্পাদক খালেকুজ্জামান রাজা, মাহমুদুল ইসলাম রুমেন, কাশেম ফকির, আবু সেলিম, এম এ বাসেদ, আছালত জামান, আতিকুর রহমান দুলু, এড. নরেশ মুখার্জি, আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যক্ষ শহিদুল ইসলাম দুলু, অধ্যক্ষ শামসুল আলম জয়, এড. শফিকুল ইসলাম নাফরু, রাহুল গাজী, ইমরান হোসেন রিবন, প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক, সাইফুল ইসলাম বুলবুল, রুমানা আজিজ রিংকি, আব্দুল¬া আল ফারুক, আলমগীর হোসেন স্বপন, আলতাফুর রহমান মাসুক, এড. সাইদ আক্তার পপি, সোহরাব হোসেন সান্নু, গৌতম কুমার দাশ, খাদিজা খাতুন শেফালী , আব্দুস সালাম, আলমগীর বাদশা, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, অসীম কুমার রায়, রাসেকুজ্জামান রাজন। এর আগে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং ৭টায় বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।