নোতুন খবর.কম : ভোট ডাকাতির এক বছর: ৩০ ডিসেম্বর ‘কালো দিবস’ পালন করুন ফ্যাসিবাদী দু:শাসন হটান জনগণের সংগ্রামী ঐক্য জোরদার করুন, বাম গণতান্ত্রিক বিকল্প গড়ে তুলুন এই দাবিতে-বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্র ঘোষিত দেশব্যাপি ৩০ ডিসেম্বর ‘কালো দিবস’ কর্মসূচির অংশহিসাবে সোমবার ৩০ ডিসেম্ব ২০১৯ বেলা সাড়ে ১১ টায় বাম গণতান্ত্রিক জোট বগুড়া জেলা শাখার উদ্যোগে বিক্ষোভ মিছিল শেষে বগুড়া জেলা প্রশাসক চত্ত্বরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন বাম গণতান্ত্রিক জোট বগুড়া জেলার সমন্বয়ক বাসদ বগুড়া জেলার আহ্বায়ক কমরেড এ্যাড.সাইফুল ইসলাম পল্টু। সমাবেশ কর্মসূচি চলাকালে বক্তব্য রাখেন সিপিবি বগুড়া জেলা সভাপতি কমরেড জিন্নাতুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ফরিদ, বাসদ বগুড়া জেলা সদস্যসচিব সাইফুজ্জামান টুটুল, সদস্য মাসুদ পাভেজ, গণসংহতি আন্দোলনের জেলা সমন্বয়ক আব্দুর রশিদ, বাসদ ( মার্কসবাদী) জেলা সদস্য আব্দুল হাই, আমিনুল ইসলাম প্রমূখ নেতৃবৃন্দ , সভা পরিচালনা করেন সিপিবি নেতা সন্তোষ পাল ৷

সভাপতির বক্তব্যে কমরেড সাইফুল ইসলাম পল্টু বলেন, গত বছরের ৩০ ডিসেম্বর এক নজিরবিহীন ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে গঠিত সংসদ ও সরকার এক বছর পার করছে। প্রশাসন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে সরকার ৩০ ডিসেম্বর ভোট ২৯ ডিসেম্বর রাতে ব্যালট পেপারে সিল মেরে ভোট জালিয়াতির এক চরম কলঙ্কজনক নজির স্থাপন করে পুনরায় ক্ষমতাসীন হয়েছে।
কমরেড আমিনুল ফরিদ বলেন, ২৯-৩০ ডিসেম্বরের কথিত নির্বাচনের পর এদেশে নির্বাচন কমিশন ও নির্বাচনী ব্যবস্থা বলে কিছু আর অবশিষ্ট নেই । সরকারি দল আওয়ামী লীগের ভোট ডাকাতির সহযোগী হিসাবে নির্বাচন কমিশনও তার গ্রহণযোগ্যতা হারিয়েছে। সরকার ও সরকারি দলের কোন অন্যায় , অপরাধ এবং দেশ ও জণগনের স্বার্থ বিরোধী কোনো তৎপরতাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে পারে এমন কোন প্রতিষ্ঠান আর রাখা হয়নি। বিচার ব্যবস্থাসহ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে দুর্বল ও অকার্যকর করে ফেলা হয়েছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা অগণতান্ত্রিক কালা-কানুনের মাধ্যমে সরকার ও সরকারি দলের জবরদস্তিমুলক কর্তৃত্ব নিরঙ্কুশ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকেন্দ্রিক ক্ষমতার চরম অগণতান্ত্রিক স্বৈরতান্ত্রিক কাঠামো আরো পাকাপোক্ত করা হয়েছে। পরিবারতন্ত্রকে নতুনভাবে জোরদার করা হচ্ছে। বাস্তবে দেশে যা চলছে তা ভিন্ন পোশাকে নব্য একদলীয় ফ্যাসিবাদী দু:শাসন।