ডেস্ক : বিতর্কিত কাশ্মীর অঞ্চল নিয়ে সর্বাত্মক যুদ্ধ শুরু হওয়ার বিপজ্জনক পরিস্থিতির ব্যাপারে বিশ্বকে সতর্ক করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। অবিলম্বে বিষয়টিতে হস্তক্ষেপ করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। শুক্রবার বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে দেয়া বক্তৃতায় ইমরান খান তার এ আশঙ্কা ব্যক্ত করেন।

কাশ্মীরের মতো বিশ্বের আর কোথাও যুদ্ধের এতো ঝুঁকি নেই বলেও উল্লেখ করে পাক প্রধানমন্ত্রী বলেন, যদি কোনো ভুল হয় তাহলে তার প্রভাব উপমহাদেশের বাইরেও ছড়িয়ে পড়বে। ভারত ভুল পথে হাটছে এবং এটা আমার দায়িত্ব যে দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধে পর বিশ্বের যেকোনো স্থানে যুদ্ধকে প্রতিরোধ করার লক্ষ্যে যে ফোরাম গঠিত হয়েছিল তাকে এ বিষয়ে অবহিত করা।

এদিকে শনিবার এক টুইটবার্তায় ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার বড় হুমকি হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ইমরান খান।

ব্রিটেনের বিখ্যাত সাময়িকী ইকনোমিস্টের একটি প্রচ্ছদ ছবি দিয়ে টুইটারে তিনি বলেন, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফ্যাসিবাদী আদর্শই আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতার জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি।

মোদির ফ্যাসিবাদের কারণে কাশ্মীরের ৮০ লাখ ও ভারতের মুসলমানরা ভোগান্তিতে রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন ইমরান খান।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাতেই বিপন্ন ভারতের গণতন্ত্র। ব্রিটিশ সাপ্তাহিক ইকোনমিস্ট তাদের সর্বশেষ সংখ্যার মূল নিবন্ধ ‘অসহিষ্ণু ভারত’-এর মধ্যে এ মন্তব্য করেছে।

ম্যাগাজিনটি বলেছে, মোদি নেতৃত্বাধীন বিজেপি সরকার নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিকপঞ্জির (এনসিআর) মাধ্যমে বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ হিসেবে ভারতের অনুপ্রেরণাদায়ী ধারণাকে বিপন্ন করে তুলছে।

বৃহস্পতিবার এক টুইটে ইকোনমিস্ট তাদের প্রচ্ছদটি শেয়ার করে লিখেছে, ‘যেভাবে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ও তার দল বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রকে বিপন্ন করছে।

‘বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে বিভাজন উসকে দিচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি’ শিরোনামের এ নিবন্ধে বলা হয়, ভারতের প্রধানমন্ত্রী একটি হিন্দু রাষ্ট্র বানাচ্ছেন বলে দেশটির ২০ কোটিরও বেশি মুসলমান আশঙ্কা করছে।