নোতুন খবর.কম : বাংলাদেশ কৃষকলীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি কৃষিবিদ সমীর চন্দ্র বলেছেন, কৃষকের ভাগ্য উন্য়নে কাজ করে যাচ্ছেন এই সরকার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর কৃষকের ভাগ্য বদলে একের পর এক পদক্ষেপ নিয়েছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে বাংলার ১৮ কোটি মানুষের মুখে অন্ন তুলে দিতে এবং তাদের জীবন যার্ত্রা মান পরিবর্তনে কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি কৃষকের চাষাবাদ সহজলভ্য করতে সার ও কীটনাশক সহ সকল কৃষিপন্যের দাম কমিয়েছেন। কৃষকের জমিতে সেচ যন্ত্রের সুবিধার জন্য তিনি প্রান্তিক পর্যায়ে বিদ্যুতের সংযোগ দিয়েছেন। তিনি এসময় আরো বলেন, এই সংগঠন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া সংগঠন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধ বিধস্ত এই দেশের কৃষকের ভাগ্য উন্নয়নে এবং প্রান্তিক চাষীদের সুযোগ সুবিধা দেওয়ার জন্য ১৯৭২ সালে ১৯ শে এপ্রিল বাংলাদেশ কৃষকলীগ নামক সংগঠনটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। সে সময় তিনি কৃষকদের কল্যানে তাদের সকল খাজনা মওকুফ এবং মামলা প্রত্যাহার করে নিয়েছিলেন। যখন এই দেশের মানুষ পরাধীনতার শৃ্খংলে বন্দী ছিল, যখন তারা এই দেশকে শাসনের নামে সাধারন খেটে খাওয়া মানুষ তথা কৃষকদের উপর শোষন ও নির্যাতনের স্টিম রোলার চালাচ্ছিল তখনই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশকে এবং দেশের মানুষকে মুক্ত করতে স্বাধীনতা যুদ্ধের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি অভিযোগের সুরে বলেন কৃষকলীগকে এখন কেউ মুল্যায়ন করতে চায়না, এমনকি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ছাড়া এই দলের নামও কেউ উচ্চারন করতে চায় না। এসময় তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশের এখন ৭০% লোক কৃষি কাজের সাথে সম্পৃক্ত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে কৃষকলীগকে আরো সুসংগঠিত এবং ঐক্যবদ্ধ করতে সকল নেতাকর্মীদেরকে কাজ করে যেতে হবে। তিনি শনিবার সকালে শহরের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে বগুড়া জেলা কৃষকলীগ আয়োজিত বিশেষ বর্ধিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেছেন। জেলা কৃষকলীগের সভাপতি আলমগীর বাদশার সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক মুঞ্জুরুল হক মঞ্জুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক এ্যাড. উম্মে কুলসুম স্মৃতি। বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ তারিন, সাবেক যুগ্ন সাঃ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন সুইট, সদস্য ডাঃ হাবিবর রহমান মোল্লা। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন জেলা আ’লীগের যুগ্ন সাঃ সম্পাদক সাগর কুমার রায়, আসাদুর রহমান দুলু, কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সদস্য আজমল হোসেন, শহর আ’লীগের সাধারন সম্পাদক আবু ওবায়দুল হাসান ববি, সদর উপজেলা আ’লীগের সাঃ সম্পাদক মাফুজুল ইসলাম রাজ। এসময় উপস্থিত ছিলেন খোরশেদ আলম, আব্দুস সালাম, ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, আনোয়ার পারভেজ বাবু, আবু বক্কর সিদ্দিক রাজা, ইকবাল হোসেন, শাহীন কাদিও জোয়ারদার, আখতারুজ্জামান তুষার, আরিফুল ইসলাম সুমন, জাহিদুল ইসলাম সাগর, মাহমুদ খান ডন, বকুল আহম্মেদ, হেলাল উদ্দিন, বজলুর রহমান বকুল, জামিল উদ্দিন, রিপন, মোস্তা, জাকিউল ইসলাম লিটন, মাহফুজুজর রহমান, আর পি গুপ্ত, মোস্তাফিজার রহমান, লেমন, স্বপ্না, সোমা, বিথী, খালেকুজ্জামান, নুরু, মাসুদ রানা সরকার, সুজাউদ্দৌলা সুজা, তাইয়াতুল কাবির রাব্বুল এবং নজরুর ইসলাম বাবু প্রমুখ।