ডেস্ক : কে হচ্ছেন গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদল্লাপুর) আসনের পরবর্তী সাংসদ। এনিয়ে চলছে জল্পনা কল্পনা আর আলোচনা। এর মধ্যেই শুরু হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের দৌড়ঝাঁপ।
উপ-নির্বাচনের তফশিল ঘোষণা হয়নি এখনও। দলীয় মনোনয়ন পেতে কেন্দ্রীয় নেতাদের নজর কাড়ার চেষ্টায় আছেন তারা। কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রাখছেন।

পাশাপাশি দলীয় মনোনয়নের প্রত্যাশায় নিজ নিজ পক্ষে নেতাকর্মীদের সংগঠিত করার তৎপরতাও অব্যাহত রেখেছেন সম্ভাব্য প্রার্থীরা। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন দলের সম্ভাব্য প্রার্থীরা এলাকায় ভোটারসহ এলাকাবাসীর সাথে কুশল বিনিময়ের মধ্যদিয়ে নির্বাচনী গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করছেন। নির্বাচনী এলাকার বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশ ছাড়াও হাট-বাজার, দোকান-পাট এবং পাড়া-মহল্লাসহ সর্বস্তরের জনগণের সাথে উঠান বৈঠক তো চলছেই।

গত ২৭ ডিসেম্বর গাইবান্ধা-৩ (পলাশবাড়ী-সাদুল্লাপুর) আসনের আওয়ামী লীগ দলীয় সংসদ সদস্য ডা. ইউনুস আলী সরকার মৃত্যুবরণ করেন। এরপর আসন শূন্য ঘোষণা করে নির্বাচন কমিশন। সংবিধান অনুযায়ী কোনো আসন শূন্য হলে শূন্য হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে ভোটের ব্যবস্থা করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। করায় ৯০ দিনের মধ্যে ভোট করতে হবে সেই হিসেবে আগামী ২৫ মার্চের মধ্যে। তাই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে নির্বাচন কমিশন।

এরপর থেকেই মনোনয়ন প্রত্যাশী সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগ ও প্রচার-প্রচারণা শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টির, জাসদ ১ এবং কৃষক শ্রমিক জনতালীগের কয়েকজন সম্ভব্য প্রার্থী দৌরঝাপ শুরু করেছেন। তারা নিজেদের অবস্থানের মধ্যদিয়ে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

গাইবান্ধা-৩ নির্বাচনী আসন একসময় ধরা হত জাতীয়পার্টির ঘাঁটি হিসেবে। ৮৬ সালের ৩য় সংসদ থেকে ২০০১ সালের ৮ম সংসদ পর্যন্ত আসনটি জাতীয়পার্টির দখলে ছিল। তবে সময়ের পরিবর্তনে এখানে এখন শক্ত অবস্থানে আওয়ামী লীগ। ২০০৮ এ প্রথম এই আসনে জাতীয়পার্টির দূর্গে আঘাত হেনেছে। সেবার আসনটি চলে যায় মহাজোটের দখলে। এরপর দুটি নির্বাচনেই নৌকার প্রার্থীর জয় জয়কার।

ফলে গাইবান্ধা-৩ আসনটি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এ আসনে বিশেষ করে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি থেকে কে মনোনয়ন পাবেন তা এখনো কেউই আন্দাজ করতে পারছেন না। তবে এই দু’টি দলের সম্ভাব্য প্রার্থীদের সবাই দলীয় মনোনয়ন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।