সাব্বির হাসান, গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ বগুড়ার গাবতলীতে অবৈধভাবে পুকুর থেকে বালু উত্তোলন করায় ১ব্যক্তির ৫০হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। সেইসাথে বালু উত্তোলনের মেশির ও উত্তোলনকৃত বালু জব্দ করা হয়েছে।
রবিবার উপজেলার দূর্গাহাটা গ্রামে অভিযান চালিয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোছাঃ রওনক জাহান এই দন্ডাদেশ দেন। একাধিকসূত্র জানায়, দূর্গাহাট গ্রামের মৃত মজিবুর রহমান তালুকদারের ছেলে তৌহিদুর রহমান মুন্না ও তার বোনদের ভোগদখলীয় দূর্গাহাটা মৌজায় ৩৫৭৬দাগে একটি পুকুর রয়েছে। এই পুকুর কিছুদিন পূর্বে তাদের বোনজামাই সাখাওয়াত হোসেন লিটনের নিকট মাছ চাষের জন্য পত্তন দেন। কিন্তু সাখাওয়াত হোসেন লিটন মাছ চাষের পাশাপাশি ওই পুকুরে নেপালতলীর মিনার ও আরিফ নামের ২জন বালু দস্যুকে সাথে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে গত কয়েকদিন আগে থেকে বালু উত্তোলন করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী অফিসার গতকাল ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের বালু উত্তোলনের মেশিন, উত্তোলনকৃত বালু জব্দ করেন। সেইসাথে ঘটনাস্থলে বালু দস্যুদের না পেলেও পুকুরের মালিক তৌহিদুর রহমান মুন্নাকে আটক করে। পরে ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে বালু উত্তোলনের দায়ে পুকুরের মালিক তৌহিদুর রহমান মুন্নার ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অভিযানকালে সহযোগিতা করেন থানার এসআই সুজল চন্দ্র দেবনাথ। জব্দকৃত বালু ও মেশিন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মিঠুর জিম্মায় রাখা হয়েছে।
এছাড়াও পৃথক অভিযানে একই ইউনিয়নের মালিপাড়া ইছামতি নদী থেকে বালু উত্তোলন করাবস্থায় বালু দস্যু বাবলুর ১টি মেশিন ও কিছু সরঞ্জমাদী জব্দ করে তৎক্ষনাত ঘটনাস্থলে ২৪হাজার টাকায় নিলামে বিক্রি করা হয়েছে। এখানে বালু দস্যু বাবলু পলাতক থাকায় কাউকে পাওয়া যায়নি।
এব্যাপারে ইউএনও মোছাঃ রওনক জাহান বলেন, ঘটনাস্থলে অভিযান চালিয়ে মেলিন ও বালু জব্দ করা হয় এবং বালু উত্তোলনের দায় শিকার করায় ভূমি আইন ২০১০ অনুযায়ী বালু উত্তোলনকারীর ৫০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জব্দকৃত বালু ও মেশিন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট দপ্তর থেকে নিলাম না হওয়া পর্যন্ত স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন মিঠুর জিম্মায় রাখা হয়েছে।