সাব্বির হাসান, গাবতলী (বগুড়া) প্রতিনিধি ঃ বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়ন পরিষদকে দুইভাগে বিভক্ত করে নতুন নামে একটি ‘কদমতলী ইউনিয়ন পরিষদ’ নামকরণ করার দাবীতে কদমতলী এলাকাবাসীর উদ্যোগে মঙ্গলবার বিকেলে স্থানীয় কদমতলী বন্দরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন নেপালতলী ইউনিয়নের ইউপি’র সাবেক চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) সিরাজুল ইসলাম খোকা, সদস্য আলহাজ্ব ইউনুছ আলী (বীর মুক্তিযোদ্ধা), আঃ সাত্তার, আবুল হোসেন, সাবেক প্রধান শিক্ষক তোজাম্মেল হক, ইউপি সদস্য আতিকুর রহমান সবুজ, সম্পা বেগম, স্থানীয় গণ্যমান্যের মধ্যে রফিকুল ইসলাম, বেলাল হোসেন, আকতারুজ্জামান মিন্টু, রঞ্জু, আঃ জলিল, কালু বিশ্বাস, শহীদুল, আহাদুজ্জামান, ডাঃ শফিকুল, মিজানুর রহমান পান্নাসহ এলাকার হাজারো নারী-পুরুষ মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে। উল্লেখ্য, বর্তমান সরকার প্রশাসনিক ব্যবস্থা ও জনসেবা মানুষের দ্বারপ্রান্তে পৌছানোর লক্ষ্যে দেশের বৃহত্তম ইউনিয়নগুলিকে বিভক্ত করে নতুন ইউনয়ন পরিষদ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করছেন। এরই প্রেক্ষিতে গাবতলীর নেপালতলী ইউনিয়নকে বিভক্ত করে আলাদাভাবে নতুন নামে ‘কদমতলী ইউনয়ন পরিষদ’ করার দাবীতে চলতি বছরের ২৫ ফেব্রæয়ারীতে তিন হাজার ব্যক্তির গণস্বাক্ষরসহ নেপালতলী ইউনিয়নের প্রাণকেন্দ্র কদমতলীকে নতুন একটি ইউনিয়ন গঠনের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয় স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউপি পরিষদ-১শাখা সচিব বরাবর আবেদন করা হয়। আবেদনের প্রেক্ষিতে উক্ত মন্ত্রনালয় থেকে স্মারক মোতাবেক ২০মার্চ প্রেরিত একপত্রে কদমতলী ইউনিয়ন পরিষদ গঠন সংক্রান্ত প্রয়োজনী ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জেলা প্রশাসক বগুড়াকে নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন। এরপর সীমানা নির্ধারণ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপান উপজেলা প্রকৌশলী রিপন কুমার শাহা। পরে তিনি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯এর কোন ধারাই অনুসরণ না করেই স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউপি-১ অধিশাখা সচিবের নির্দেশ বিহীন সুখানপুকুর নতুন ইউপি গঠনের লক্ষ্যে গত ১৯.০৫.১৯ইং তারিখে গণ বিজ্ঞপ্তি ২৪দিন গোপন রেখে সাধারণ মানুষের মতামত না নিয়ে ১নং-সূত্র ডঙর ও ২নং সূত্র কদমতলীকে বাদ দিয়ে গত ৩০জুলাই সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরে প্রস্তাব পাঠান। উক্ত পত্রের স্মারক ও তারিখ উল্লেখ করে গত ১৫ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ, ইউপি-১ অধিশাখার উপসচিবের স্বাক্ষরিত একপত্রে পুনরায় নেপালতলী ইউনিয়নকে বিভক্ত করে আলাদা ডঙর অথবা কদমতলী ইউনিয়ন গঠনের জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন। তারপরও সংশ্লিষ্ট দপ্তর নির্দেশের দিকে কোন নজর না দিয়ে ‘সুখানপুকুর’ নামকরণ করে একটি নতুন আলাদা ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের প্রক্রিয়া চালাচ্ছেন। নেপালতলী ইউনিয়নের মোট ভোটার ৩৩হাজার ১’শ ৫৯জন। লোক সংখ্যা ৪৯হাজার ৯’শ ১৭জন। যার আয়তন ৪২বর্গ কিঃমিঃ।