প্রেস রিলিজ : বাংলাদেশ ক্ষেতমজুর সমিতি কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ১০ দফা দাবীতে বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ঘেরাও কর্মসূচী ও স্বারক লিপি পেশ করা হয়।
১০ দফা দাবি সমূহঃ ★গ্রামীণ কর্মসূচি ও প্রকল্পের দূর্নীতি-অনিয়ম-লুটপাট বন্ধ কর। ★অবিলম্বে পল্লী রেশনিং চালু করে চাল-আটা ৫টাকা, তেল-ডাল ৩০ টাকা, লবন-চিনি-কেরোসিন ১৫ টাকা দরে দিতে হবে। ★’১০০ দিনের কর্মসৃজন কর্মসূচি’ পুনরায় সব উপজেলায় চালু কর। মজুরি বৃদ্ধি কর। ★ ষাটোর্ধ বয়স্কদের জন্য পেনশন স্কীম চালু করতে হবে। ★ খাসজমি প্রকৃত ভূমিহীন ক্ষেতমজুর দের দিতে হবে। ★ খাইখালাসি ধরনের আইন করে এনজিও ঋনের অত্যাচার বন্ধ কর। ★ ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত কর। সার্বক্ষণিক ডাক্তার, নার্স ও বিনামূল্যে ঔষধপত্র দিতে হবে।★ক্ষেতমজুরের সন্তানদের বিনা খরচে সুশিক্ষা নিশ্চিত কর ও চাকুরি ক্ষেত্রে কোটার ব্যবস্থা কর।
সকালে বগুড়া জেলা ক্ষেতমজুর সমিতির এক বিক্ষোভ মিছিল শহর প্রদক্ষিণ শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে।
বিক্ষোভ প্রদর্শনকালে সংক্ষিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন ক্ষেতমজুর জেলা কমিটির সভাপতি সাহা সন্তোস পরিচালনা করেন সাধারণ সম্পাদক শ্রীকান্ত মাহাতো। বক্তব্য রাখেন সিপিবি বগুড়া জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ফরিদ, কৃষক সমিতি বগুড়া জেলা কমিটির সভাপতি সন্তোস কুমার পাল, সাধারণ সম্পাদক হাসান আলী শেখ , ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি ও বগুড়া জেলা সংসদের সভাপতি মো: নাদিম মাহমুদ।বক্তারা বলেন, দেশ আজ চরম সংকটকাল অতিবাহিত করছে। ক্ষেতমজুরদের সারা বছর কাজ নাই, দ্রব্য মূল্যের উর্দ্ধগতি আর ব্যায়ের বিশাল পার্থক্য মানুষের জীবন জীবিকা বিপর্যস্ত। মানুষ দিশেহারা হয়ে পড়েছে। গ্রামীন বরাদ্দের লুটপাট, ব্যবসা সিন্ডিকেট, ঘুষ দূর্নীতি মানুষকে জিম্মি করে ফেলেছে, এখন এমতাবস্থায় ক্ষেতমজুরদের ১০ দফা মেনে নিয়ে ক্ষেতমজুর দের পাশে থাকার আহবান জানান।