ডেস্ক : জুনেই সারাদেশে পাওয়া যাবে ই-পাসপোর্ট । প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধনের পর আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী ও উত্তরা আরপিও থেকে ই-পাসপোর্ট কার্যক্রম শুরু হবে। প্রথম দিকে শুধু রাজধানীর মানুষ ই-পাসপোর্ট পাবে।চলতি বছরের শেষের দিকে পাওয়া যাবে বাংলাদেশের বাইরের ৮০টি মিশনে।

শাকিল আহমেদ জানান, চাইলেই দেশের সব জায়গায় একই দিনে ই-পাসপোর্ট দেয়া সম্ভব না। কিছুদিন পরে বিভাগীয় শহরগুলোতে শুরু হবে ই পাসপোর্ট কার্যক্রম। এরপর সারাদেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে। তবে সেজন্য সময় লাগবে। প্রত্যেকটি মিশনে ই পাসপোর্টে যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য প্রযুক্তিগত কার্যক্রম চলতে থাকবে। তবে সেখানে কিছুটা বেশি সময় লাগবে। পর্যায়ক্রমে ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে সব মিশনগুলোতে ই পাসপোর্ট কার্যক্রম পৌঁছে যাবে।
মহাপরিচালক বলেন, ই-পাসপোর্ট কার্যক্রমের পাশাপাশি মেশিন রিড্যাবল পাসপোর্টের কার্যক্রমও চলতে থাকবে। অন্তত পাঁচ বছর এই কার্যক্রম চালানো হবে। এই সময়ের মধ্যে মেশিন রিড্যাবল পাসপোর্ট তুলে নেয়া হবে। তারপর সবার হাতে পৌঁছে যাবে ই-পাসপোর্ট।