নোতুন খবর.কম :
কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও বগুড়া জেলা জাসদের সভাপতি সাবেক এম.পি রেজাউল করিম তানসন বলেছেন, ১৯৯০ সালের ২৭ নভেম্বর, স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী গণ আন্দোলনে সামরিকজান্তার লেলিয়ে দেয়া ঘাতকদের তপ্ত বুলেট ডা. মিলনের জীবন প্রদীপ নিভে যায়। ডাঃ মিলনের মৃত্যু সেদিন স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনকে আরো বেগবান করে। তাঁর মৃত্যু এরশাদের পতনের কফিনে শেষ পেরেক ঢুকে দিয়েছিল।
তিনি বলেন, ডাঃ মিলন আত্নদান করেছে কিন্তু পরাজিত হয়নি। কারন এই ঘটনার কিছুদিন পরেই সামরিক জান্তা এরশাদ পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়। ডাঃ মিলন যে স্বপ্ন দেখেছিল তা ছিল গণতন্ত্রকে সামরিক জান্তার হাতথেকে মুক্তকরে অসাম্প্রদায়িক, সমাজতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার। দুর্নীতি, লুটপাটের অবসান করে সর্বস্তরে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। তিনি সারাদেশে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় মিলনের আদর্শকে বুকে ধারণ করে সবাইকে একহয়ে কাজ করার আহবান জানান।
শুক্রবার দুপুরে বগুড়া সাতমাথাস্থ জাসদ কার্যালয়ে বগুড়া জেলা জাসদ আয়োজিত শহীদ ডাঃ মিলন দিবসের আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে কথাগুলি বলেন।
কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও জেলার সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম এর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন, জেলা জাসদের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধ আব্দুল মালেক সরকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন বাবু, জাসদ নেতা জোবায়ের হোসেন মোল্লা, অধ্যক্ষ নজরুল ইসলাম, দানা তালুকদার, গোলাম দস্তগির ডালটন, নুরুল হুদা প্রিন্স, শহর শাখার সভাপতি রবীন্দ্রনাথ দাস রঞ্জন, সদর থানার সভাপতি হারুনুর রশিদ, জেলা শ্রমিক জোটের সভাপতি মকবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকুল আলম মামুন, শ্রমিক নেতা মকবুল হোসেন, আব্দুল লতিফ বাচ্চু, আশরাফুল হক আশরাফ, রায়হান আলী প্রমূখ।
দিবসটি উপলক্ষে সকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতীয় ও তলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।