নোতুন খবর.কম :
ভালোবেসে শিশু সন্তান রেখে প্রথম স্বামীকে ছেড়ে পালিয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেছিল শিরিন বেগম (২১) নামে এক গৃহবধূ। ২ বছর শংসার করে তাকেও তালাক দেয়। স্বামীকে তালাক দিয়ে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে আত্মহত্যা করেছে শিরিন।
শনিবার রাতে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। শিরিন বেগম বগুড়া শহরের চকলোকমান এলাকার মৃত নজির উদ্দিনে মেয়ে।

শিরিনের ছোটবোন সাবিহা জানান, ৫-৬ বছর আগে তাদের বাবার মৃত্যুর পর মা অন্যত্র বিয়ে করেন। বড়বোন শিরিন দুই বছর আগে শিশু সন্তান রেখে প্রথম স্বামীকে ছেড়ে পালিয়ে শাজাহানপুর উপজেলার বেজোড়া দক্ষিণপাড়ার আব্দুস সালামের ছেলে জিন্নাহকে বিয়ে করেন। এরপর থেকে তার সঙ্গে যোগাযোগ ছিল না। ঘটনার দিন শিরিন ফোন করে ক্ষমা চেয়ে বলে ‘স্বেচ্ছায় দ্বিতীয় স্বামীকে তালাক দিয়েছি। আর কোন দিন তোদের সঙ্গে দেখা হবে না। হাতে গ্যাস ট্যাবলেট রয়েছে। চিরতরে চলে যাচ্ছি। পারলে এসে দেখে যাস।’

‘এ সময় তাকে অনেক নিষেধ করলেও না শুনে ফোন কেটে দেয়। এরপর তার মৃত্যুর খবর পাই।’

চকলোমান এলাকার আব্দুর রফিক শেখ মানিক নামে এক প্রতিবেশী জানান, শনিবার সন্ধ্যায় চকলোকমান এলাকার এক পরিচিত নারী ফোনে বলেন- শিরিন বগুড়া সাতমাথা এলাকায় অজ্ঞান হয়ে পড়ে রয়েছে। হাসপাতালে নিয়ে যাচ্ছি, তাড়াতাড়ি আসেন। এরপর রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছার আগেই শিরিনের মৃত্যুর খবর পাই।

শিরিনের দ্বিতীয় স্বামী জিন্নাহ জানান, গত বৃহস্পতিবার (৩১ ডিসেম্বর) স্বেচ্ছায় শিরিন আমাকে তালাক দিয়ে তার সবকিছু নিয়ে চলে যায়। এরপর তার সঙ্গে কোনো যোগাযোগ ছিল না। পরে লোকমুখে শিরিনের মৃত্যুর খবর জেনেছি।