উজ্জ্বল চক্র বর্ত্তী শিশির, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
বগুড়ায় ১০ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণ মামলায় মোঃআতিক হাসান আইয়ুব(২৫) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করেছে থানা পুলিশ। আতিক দুপচাঁচিয়ার চামরুল ইউনিয়নের আটগ্রাম বেলহালী গ্রামের মোঃ আব্দুর রহমান এর ছেলে।
পুলিশ সূত্রে জানাযায়, গত ২১ নভেম্বর আনুমানিক রাত সাড়ে ১০ টায় দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাসান আলী দিক নির্দেশনায় থানার এসআই খোরশেদ আলম নের্তৃত্বে এএসআই রতন চন্দ্র সরকার .এএসআই কমল চন্দ্র সঙ্গীয় ও ফোর্স সহ এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আতিককে ধরতে সক্ষম হয়।
উল্লেখ থাকে যে, গত ০৯/১০/২০ইং তারিখে ভিক্টিম বাদীর ছোট মেয়ে (১৬) বগুড়া জেলার কাহালু থানাধীন একটি বিদ্যালয়ে দশম শ্রেনীতে লেখাপড়া করে। আসামী আতিক হাসান আইয়ুব সম্পর্কে বাদীর প্রতিবেশী ভাতিজা হয়। বাদী জীবিকার তাগিদে অধিকাংশ সময় ঢাকায় কাজ কর্ম করে। বাদীর স্ত্রী সাংসারীক কাজ করে ও পাশা পাশি অন্যের বাড়ীতে কাজ কর্ম করে এবং বাদীর স্ত্রী বাড়ীতে না থাকার সুযোগে আসামী আতিক হাসান আইয়ুব মাঝের মধ্যে বাদীর বাড়ীতে আসে এবং ভিক্টিম বাদীর ছোট মেয়ে (১৬) দশম শ্রেনীর ছাত্রীকে প্রেম নিবেদন সহ কু-প্রস্তাব দিলে রাজি না হওয়ায় আসামী সুযোগে অপেক্ষায় থাকে।
এই অবস্থায় গত ০৯/১০/২০ তারিখে রাত অনুমান ১০ টার সময় বাদীর নিজ বাড়ীতে দক্ষিণ দুয়ারী মাটির তৈরি শয়ন কক্ষে প্রবেশ করে ভিক্টিমের তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। ওই দিন ভিক্টিমের মা বাদীর স্ত্রী তার বড় মেয়ের বাড়ীতে বেড়াতে যায়। আসামী সুযোগ নিয়ে বাড়ীতে একা পেয়ে জোড় পূর্বক ধর্ষন করলে ভিকটিম চিৎকার ও আর্তনাদ করলে বাড়ীর আশে পাশের স্থানীয় লোকজন বের হলে আসামী পালিয়ে যায়। ভিকটিম ওই ঘটনা তার পিতাকে জানালে ,সে ঢাকায় থেকে চলে আসে এরপর বাদীর বাড়ীর পার্শ্বের স্থানীয় লোক জনদের সংগে আলোচনা করে গত ২১/১১/২০ তারিখে দুপচাঁচিয়া থানায় এজাহার নামা দাখিল করে। ঘটনার এজাহার নামা যাচায় করে ২১ নভেম্বর রাত সাড়ে ১০ টায় ধর্ষক কে ধরতে সক্ষম হয়েছে ।
উক্ত আসামীকে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা রজু করে বিজ্ঞ আদালতে সোর্পদ করে বলে থানা সূত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।