উজ্জ্বলচক্রবর্ত্তী শিশির, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ দুপচাঁচিয়া উপজেলার গুনাহার ইউনিয়নের হাপুনিয়া এলাকার সুফলভোগী কৃষক মোঃ রায়হান হোসেন বলেন,আমাদের এলাকায় আলোক ফাঁদ প্রযুক্তি ব্যবহার করে উপকারিতা পাওয়ায় কৃষকদের মাঝে সাড়া জাগিয়েছে। দুপচাঁচিয়া উপজেলা কৃষি অফিসের সহায়তায় কৃষকেরা আলোক ফাঁদ নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে চলতি বছরে রোপা আমন মৌসুমে খেতেরপোকা মাকড়ের উপস্থিতি পর্যবেক্ষন ও নতুনভাবে সনাক্তকরন করেছে। উল্লেখ্য দুপচাঁচিয়া উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে জানা গিয়েছে ,উপজেলা কৃষি অীফসের সার্বিক সহযোগিতায় এই কার্যক্রম চলতি মেওসুমে ১৫ অক্টোবর হইতে দুইটি পৌরসভা ও ৬ টি ইউনিয়নে ২০ টি বøকে পর্যায়ক্রমে আলোক ফাঁদ প্রযুক্তির ব্যবহার প্রয়োগ করা হয়েছে। আলোক ফাঁদ প্রযুক্তি হলো রাত্রিতে জমির পাশে তিনটি খুঁটি পুঁতে মাঝখানে লাইট বা সাবান আলোর ব্যবস্থা করা,তারপর আলোর নিচে একটি গামলায় ডিটারজেন্ট পাউডার বা সাবান মিশ্রিত পানি রাখলে আলো দেখলে পোকা মাকড় এ স্থানে ছুটে আসে এবং গামলায় পরলে সংগে সংগে ঐগুলো দেখা যায় ।এই অঞ্চলের উপকারী ও ক্ষতিকর পোকা মাকড়ের উপস্থিতি শনাক্ত করে ঐ বিষাক্ত পোকামাকড়গুলো নিধনের জন্য কোন কীটনাশক প্রয়োগে সুফল পাওয়া যাবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে কৃষকদের মাঝে নির্দেশনা দিয়েছেন ।ধান গাছে কারেন্ট পোকা ,মাজরা পোকা ,চুঙ্গি,গান্ধী পোকা,পামরী,পাতা মোড়ানো পোকা সহ বিভিন্ন ক্ষতিকর পোকার আক্রমন করে। এই পোকা গুলো আক্রমনে ধানের শীষ সম্পুর্ন ভাবে নষ্ট হয়ে যায়। এতে ফসলের উৎপাদন কমে যায়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ জনাব সাজেদুল আলম আমাদেরকে জানিয়েছেন ,সঠিক ভাবে জমির পোকা মাকড় ,শনাক্তের জন্য আলোক ফাঁদ ইতি মধ্যেই কৃষকদের মাঝে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে । গত ১৫ অক্টোবর হতে ২০ টি বøক ভিত্তিতে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগন আলোক ফাঁদ পদ্ধতি ব্যবহার করছে । সেই সংগে কৃষকদের মাঝে উদ্বুদ্ধ করেছেন।কৃষি কর্মকর্তা জানান, এবার দুপচাঁচিয়ায় ১১ হাজার ৮শ হেক্টর জমিতে উফশি ও হাইব্রিড জাতের আমন ধানের চারা রোপন করা হয়েছে ।