উজ্জ্বল চক্রবর্ত্তী, দুপচাঁচিয়া(বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

প্রশাসনের নিরবতায় এক শ্রেণীর ব্যাবসায়ীরা দুপচাঁচিয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকার সরকারি জায়গায় দখল করে ব্যাবসা বানিজ্য করছে। দুপচাঁচিয়া পাইলট বালিকা বিদ্যালয়ের বাউন্ডারী সীমানা ঘেঁসে দিনের পর দিন বালু ও ইট ভেংগে খোয়ার ব্যবসা করছে অথচ বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নজরে পরে না। স্কুলের মেইন গেটের সামনের রাস্তা চলাচলের অযোগ্য, কিন্তু দেখার কেউ নেই। জনসাধারন ও ছোট ছোট ছেলে-মেয়েদের রাস্তা দিয়ে চলাচল করা খুবই কষ্ট দায়ক, কেননা যে কোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। দুপচাঁচিয়া পুরাতন বাজার হতে তে-মাথা রোড সংলগ্ন পশ্চিম সাইডের সরকারি জায়গায় দখল করে আছে এক শ্রেনী ব্যবসায়ী। পুরাতন বাজার রাস্তা থেকে চৌধুরী পাড়া রাস্তার এক সাইডে মালিকানাধীন বাড়ী আর এক সাইডে সরকারি জায়গায় টিনের বেড়া দিয়ে চা স্টল দিয়েছে। এই স্টলগুলোর কারনে অনেক ভদ্র সমাজের মানুষ এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে সংকোচ বোধ মনে করেন। কারন সাধারনত বখাটে ছেলেরা ষ্টলে আড্ডা দেয়। এই ধরনের অনেক রোড আছে।
সরজমিনে দেখা যায় মেইল বাস ষ্ট্যান্ড রোড হইতে সি.ও অফিস বাসষ্ট্যান্ড রোডের দুই সাইডে সরকারি জায়গায় ও ফুটপাত অবৈধ দখল দারেরা জোর পূর্বক দখল করে রীতিমত ব্যাবসা বানিজ্য করছে, কিন্তু প্রসাশন একেবারে নিরব। এছাড়াও সি.ও অফিস বাসষ্ট্যান্ডে যাত্রী ছাউনি থেকে শুরু করে দুই পার্শ্বে ফুটপাত ক্ষুদ্র ব্যবাসায়ীদের দখলে। জনগনের সুবিধার জন্য সি.এম.বি রোডের দুই দিকে থানা বাসষ্ট্যান্ড হইতে নব নির্মিত মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন পর্যন্ত বড় ড্রেন তৈরি করা হয়েছে, কিন্তু ঐ ড্রেনের উপরে কিছু ক্ষুদ্র দোকান ও পার্শ্বে ছ-মিলের গাছের গুল রাখার কারনে জনগনের যাতায়াত করা খুবই কষ্টকর হচ্ছে। বিধায় প্রায় দিনই দুর্ঘটনা লেগেই আছে। বিশেষ করে সি.ও বাসষ্ট্যান্ডে রাস্তার কার্পেটিং ছাড়া যতটুকু রাস্তা চওড়া হয়েছে। উল্লেখিত চওড়া রাস্তার মধ্যে ছোট ছোট দোকান থাকার কারণে সাধারণ জনগণের চলাচল করা ও বাসের যাত্রীদের বাসে ওঠা নামার ব্যাপারে চরম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। কিছু দিন পূর্বে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা ও থানা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সমন্বয়ে উল্লেখিত দুপচাঁচিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাউন্ডারী সহ রাস্তার উপর থাকা ছোট ছোট দোকান পাটগুলো উচ্ছেদ করার পাশা পাশি বাউন্ডারী সংলগ্ন জায়গায় বৃক্ষ রোপন করেছিল। কিন্তু পুনরায় ফুটপাতে দোকান পাট বসার কারণে রোপনকৃত বৃক্ষগুলির কোন অস্থিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি।বরং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বাউন্ডারী প্রাচীর ঘেসে কাঁচা পাকা অনেক ছোট ছোট দোকান ঘর নির্মাণ করে ব্যাবসা করছে।এই ভাবে বাসষ্ট্যান্ডে রাস্তার দুই দিকে ফুটপাতে দোকান থাকলে যাত্রীরা কোথায় দাঁড়ায়বে।যাত্রী ছাউনির ১০০গজ পূর্ব দিকে সকাল বেলা দুধের বাজার প্রচন্ড বেচাঁ কেনা হয়। ঐ জায়গাতে রিক্সা ভ্যান এলোমেলো ভাবে চলাচল করলে প্রায়দিন দূর্ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সংগে মুঠো ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি জানান যে সমস্ত সরকারি জায়গায় অবৈধ স্থাপনা রয়েছে সেই সব জায়গা পুনরায় দখল মুক্ত করে এলাকার জনগনের শান্তি শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবেন বলে জানান ।