ডেস্ক: ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশে আঘাত হানতে যাচ্ছে ঘূর্ণিঝড় “গতি” । সোমবার সকালে শক্তিশালী রূপ নিয়ে অন্ধ্রপ্রদেশের উপকূল দিয়ে ওই রাজ্যের ভেতরে প্রবেশ করবে এই ঝড়।
আম্পানের পর ভারতের মহারাষ্ট্রে আছড়ে পড়েছিল নিসর্গ। সেই ঘূর্ণিঝড়ের রেশ এখনো কাটেনি।এর মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাব শুরু হয়ে গেছে। পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপ থেকে এই ঘূর্ণিঝড় শক্তি সঞ্চয় করছে বলে সতর্ক করেছে ভারতের আবহাওয়া দফতর। এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, সরাসরি এই ঝড়ের প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে না পড়লেও ওডিশা, অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা, কর্ণাটক এবং মহারাষ্ট্রে রোববার ও সোমবার প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।
ভারতবার্তা পত্রিকার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে অক্টোবর মাসের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, এ মাসে সাগরে দুয়েকটি লঘুচাপের আভাস রয়েছে, তার কোনোটি ঘূর্ণিঝড়েও পরিণত হতে পারে।

সপ্তাহখানেক আগেই ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাস দিয়েছিল, এবার পুজোর আগেই পশ্চিমবঙ্গে আছড়ে পড়তে পারে ঘূর্ণিঝড় ‘গতি’। ভারতবার্তার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার সকালে আরও শক্তিশালী রূপ নিয়ে অন্ধপ্রদেশ উপকূল দিয়ে ঘূর্ণিঝড় ‘গতি’ প্রবেশ করবে রাজ্যে। ফলে ঘণ্টায় ৬৫ কিলোমিটার গতিবেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে শুরু করবে। সঙ্গে প্রবল ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। অন্ধ্রপ্রদেশে জারি করা হতে পারে লাল সতর্কতা।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আন্দামান সাগর থেকে এ নিম্নচাপ এখন পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। শক্তি সঞ্চয় করে এটি উত্তর উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এর সরাসরি প্রভাব পশ্চিমবঙ্গে না পড়লেও কিছুটা আঁচ এ রাজ্যে পড়বে বলে মনে করা হচ্ছে।

এ নিম্নচাপ এবং ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে আন্দামান এবং নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। এমনকি বঙ্গোপসাগরের একাংশ প্রচ- উত্তাল হতে পারে বলেও জানা গেছে। ফলে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতায় আজ আংশিক মেঘলা আকাশ থাকবে। দু-এক পসলা বজ্রবিদ্যুৎসহ বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা রয়েছে। বাতাসে জলীয় বাষ্প থাকায় আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকবে।