নোতুন খবর.কম :
২০১৭ সালের একটি পুরাতন ভিডিওকে বর্তমান ভিডিও হিসেবে প্রচারের মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরীর অভিযোগে দুই যুবক কে আটক করেছে বগুড়া জেলা পুলিশের সাইবার টিম।
আটককৃতরা হলো, বগুড়া শিবগঞ্জের সেকেন্দারাবাদ পূর্বপাড়ার মোঃ হাফিজার রহমান ও মোসাঃ শামছুন্নাহার বেগম এর ছেলে
মোঃ মাহবুর রহমান(২৩), এবং একই উপজেলার পদ্মপুকুর এলাকার মোঃ আঃ সামাদ ও মোছাঃ পারুল বিবির ছেলে মোঃ শরিফুল ইসলাম(২৪)।
জেলঅ গোয়েন্দা পুলিশের পক্ষথেকে জানানো হয়,
বগুড়ার পুলিশ সুপার মোঃ আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম বার এর সার্বিক দিক নির্দেশনায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) আলী হায়দার চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে, জেলা গোয়েন্দা শাখা, বগুড়া’র পুলিশ পরিদর্শক মোঃ এমরান মাহমুদ তুহিনের নেতৃত্বে এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ জুলহাজ উদ্দিন বিপিএম পিপিএম, এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ ফিরোজ সরকার পিপিএম, এসআই মোঃ শওকত আলম সঙ্গীয় ফোর্সসহ গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার (২৯ জুন) বগুড়া সদর থানাধীন নিশিন্দারা কারবালাস্থ জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্রের মেইন গেটের সামনে বগুড়া টু সান্তাহারগামী পাকা রাস্তার উত্তর পাশে হতে তাদেরকে আটক করে।
এসময় আটককৃতদের হেফাজত হতে একটি নীল রংয়ের ভিভো ও একটি কালো রংয়ের সামসাং মোবাইল ফোন উদ্ধার করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটককৃত আসামীদ্বয় জানায় যে, সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনে ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা ও ভ্যান বন্ধের কথা উঠলে সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে রাষ্ট্রের ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি নষ্ট ও আইনশৃঙ্খলার অবনতির ঘটানোর উদ্দেশ্যে একে অপরের সহায়তায় ফেসবুক গ্রুপ “শিবগঞ্জ উপজেলা (৩৭) বগুড়া“ এর অন্যান্য এডমিন ও মডারেটরগন পরস্পর যোগসাজসে গত ২০১৭ সালে ব্যাটারী চালিত অটো রিক্সা বন্ধের পূর্বের ধারণকৃত একটি ভিডিও কৌশলে সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুকে প্রচার করে যে, সম্প্রতি সময়ে অটো রিক্সার বিরুদ্ধে আইনশৃংখলা বাহিনীর অভিযান চলছে। এছাড়াও উক্ত গ্রুপের সকল এডমিন ও মাডারেটরগণ বিভিন্ন সময়ে উক্ত গ্রুপে মিথ্যা সরকার বিরোধী উষ্কানীমূলক পোষ্টসহ বিভিন্ন গুজব ছড়ানোর তথ্য প্রমান পাওয়া যাচ্ছে।
প্রকাশ থাকে যে, আটককৃত আসামী শরিফুল ইসলাম ফেসবুক গ্রুপ “শিবগঞ্জ উপজেলা(৩৭) বগুড়া“ এর প্রধান এডমিন এবং উক্ত গ্রুপের এডমিন প্যানেলে তাহার ব্যবহৃত নামে-বেনামে আরো ০৫টি ফেসবুক আইডি ও ০৩টি ফেসবুক পেজ আছে, যার মাধ্যমে ধৃত আসামী শরিফুল বিভিন্ন সময়ে রাষ্ট্র ও সরকার বিরোধী, মিথ্যা তথ্যসহ গুজব ছড়িয়ে আসিতেছিল। আটককৃত আসামী শরিফুল ইসলাম বগুড়া সরকারী আজিজুল হক কলেজের ইংরেজি চতুর্থ বর্ষে অধ্যয়নরত বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানায়। অপর আসামী মাহবুর রহমান তার সহোযোগী হিসেবে ভিডিও তৈরির কাজ করে। যা তার জব্দকৃত মোবাইল পর্যালোচনা করে জানা যায়। এ সংক্রান্তে আটককৃত আসামীদের বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা রুজু করা হয়েছে।