ডেস্ক :
টানটান উত্তেজনার মধ্যেই ভারতীয় বিমান বাহিনী প্রতিবেশী চীন ও পাকিস্তান সীমান্তে যুদ্ধের প্রস্তুতি নিয়েছে। কোনো রাখঢাক না রেখেই এ কথা জানিয়েছেন দেশটির বিমান বাহিনী প্রধান রাকেশ কুমার সিং ভাদুরিয়া। তবে এ নিয়ে বেইজিং বা ইসলামাবাদের কোনো প্রতিক্রিয়া এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

ডয়চে ভেলের খবরে বলা হয়, গেল বছর ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে তিন হাজারের বেশি যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটনা ঘটেছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটেছে সেপ্টেম্বর মাসে জম্মু-কাশ্মির সীমান্তে। এসব ঘটনায় ভারতীয় জওয়ানদের মৃত্যুও হয়েছে।

অন্যদিকে, লাদাখ সীমান্তে ভারত ও চীনের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ঘটনাও ঘটেছে একাধিকবার। সেই উত্তেজনা এখনো অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যেই খবর বেরিয়েছে, উভয় দেশ সীমান্তবর্তী এলাকায় ভারী সমরাস্ত্র মোতায়েন করে চলেছে।

এমতাবস্থায় গত ৮ অক্টোবর ভারতীয় বিমান বাহিনী দিবসে নতুন নতুন অস্ত্র ও যুদ্ধ বিমান প্রদর্শন করে নয়া দিল্লি। আগামীতে এ বাহিনীকে আরো শক্তিশালী হওয়ার প্রস্তুতিও নিতে বলা হয়।

ওই অনুষ্ঠানের পর দেশটির বিমান বাহিনী প্রধান জানান, সীমান্তের দুটি (চীন ও পাকিস্তান) ফ্রন্টে লড়াইয়ের চূড়ান্ত প্রস্তুতি নিয়েছে তার বাহিনী। তবে কী ধরনের প্রস্তুতি রয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তিনি।

ভারতীয় এক সেনা কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জার্মান গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, আসন্ন শীত মৌসুমে চীন বা পাকিস্তান অথবা উভয় দেশের দিক থেকে যুদ্ধের সম্ভাবনা একেবারেই উড়িয়ে দেয়া যায় না। সেটি মাথায় রেখেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে ভারতীয় বাহিনী।

বেইজিংয়ের সম্ভাব্য হুমকি মাথায় রেখেই লাদাখ সীমান্তে জোর প্রস্তুতি নিয়েছে নয়া দিল্লি। বলা হচ্ছে, শীতে চীনা লাল সেনারা যুদ্ধ বাঁধালে ভারতীয় সেনাদের জন্য তা মোকাবেলা খুব সহজ হবে না। চীন সেই মোক্ষম সময়ের অপেক্ষার প্রহর গুণছে বলে মনে করেন কেউ কেউ।