উজ্জ্বল চক্রবর্ত্তী, দুপচাঁচিয়া (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ
দুপচাঁচিয়া পেঁয়াজের বাজারের কিছুা অসাধু পাইকারী ব্যাবসায়ী আছে ,যা আলাউদ্দিনের চেরাক পাওয়ার মত। উপজেলার বিভিন্ন বাজারে দেখা যায় পেঁয়াজের সকালে একদাম,বিকালে আরেক দাম।

হঠাৎ করেই বাংলাদেশে পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করেছে ভারত। এই সংবাদ পাওয়া মাত্র দুপচাঁচিয়া উপজেলার পেঁয়াজ ব্যাবসায়ীরা প্রতি কেজি১৫ থেকে২৫ টাকা বেশি দামে বিক্রয় করছে।
১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে সি.ও অফিস কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়,খুচরা ব্যবসায়ীরা দেশিপেঁয়াজের প্রতি কেজি ৮০ টাকা থেকে ৯০ টাকা দরে এবং আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি ৭০ টাকা থেকে ৭৫ টাকায় বিক্রি করছে।
খুচরা ব্যবসায়ী আমিনুল ইসলাম কাছে জানতে চাহিলে বলেন হঠাৎ করে ভারতের পেঁয়াজ বন্ধ করার কারনে পাইকারী বাজারে দাম বেশী, আবার চাহিদা মত আমদানি কম।তাই আমরা বেশী দামে পেঁয়াজ বিক্রি করছি।এই ব্যবসায়ী আরো জানান, বিভিন্ন পেঁয়াজে পাইকারী আড়ৎতে একশ্রেনীর অসাদু ও সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী আছে যা সরকারকে বিব্রত করে ও জনগনের কাছে অধিক লাভ করছে।
এই অবস্থায় কথা বলি মেসার্স তিতুমী ট্রেডার্সের প্রোপাইটার ও টিসিবি ডিলার মোঃ আব্দুর রাজ্জাকএর সংগে, তিনি জানান আমরা ১৩ই সেপ্টেম্বর থেকে নাজ্যমূল্যের চাল. ডাল. তেলও পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করেছি। কোন ক্রেতা আমাদের নাজ্যমূল্যে দোকানে এলে প্রতি ২ কেজি পেঁয়াজ ৩০ টাকা দরে বিক্রি করছি। তিনি জানান বাজারে পেঁয়াজের দাম বেশী হওয়াই চাহিদা অনেক বেশী কিন্তু আমাদের মাল সীমিত।তাই চাহিদা মত দিতে পারছিনা।
এই ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার জানান, আমি আবার বাজার মনিটরিংএ যাব। এব্যাপারে সরজমীনে দেখে ব্যবস্থা গ্রহন করবো।