নোতুন খবর.কম : বগুড়া ধুনট উপজেলায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে সরকার দলীয় দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত হয়েছে ৪ জন। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতা ইমরুল কায়েস সেলিম বাদী হয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান সহ ৭জনের নাম উল্লেখ করে ধুনট থানায় মামলা দায়ের করেছেন। এদিকে ঘটনার পর থেকেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিতে ধুনট বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় ধুনট পৌর শ্রমিক লীগের সভাপতি ফারাইজুল ইসলাম ইজুল ও উপজেলা যুবলীগের সদস্য শাহা আলী হামলা চালিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ইমরুল কায়েস সেলিমকে পিটিয়ে আহত করে। এদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে আওয়ামীলীগ নেতা সেলিমের পক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খানের সোনামূখী রোড়ে অবস্থিত ব্যক্তিগত কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করতে থাকলে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে আওয়ামীলীগ নেতা শরিফুল ইসলাম খান, ইমরুল কায়েস সেলিম, উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক রুবেল মাহমুদ ও আওয়ামীলীগ নেতা মিন্টু মিয়া আহত হয়। আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সংবাদ পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষনিক অভিযান চালিয়ে ধুনট পৌর শ্রমিকলীগের সভাপতি ফাইজুল ইসলাম ইজুলকে গ্রেফতার করেছে। এঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতা ইমরুল কায়েস সেলিম বাদী হয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান, উপজেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক রুবেল মাহমুদ, গ্রেফতারকৃত পৌর শ্রমিকলীগের সভাপতি ফারইজুল ইসলাম ইজুল ও যুবলীগ নেতা শাহ আলী সহ ৭জনের নাম উল্লেখ করে ধুনট থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইসমাইল হোসেন জানান, ঘটনায় জড়িত একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এঘটনায় ইমরুল কায়েস সেলিম বাদী হয়ে ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিতে ধুনট বাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।