নোতুন খবর.কম : বগুড়া শহরের নারুলী খন্দকার পাড়ায় চামেলী বেগম (৩২) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সকালে বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। চামেলী নারুলী খন্দকার পাড়ার কুলি শ্রমিক রুবেল মিয়ার স্ত্রী। ঘটনার পর থেকে তার স্বামী আত্মগোপন করেছে।
এলাকাবাসী জানায়, রুবেল বগুড়া শহরের রাজা বাজারে কুলি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। মাঝে মাঝেই রাতে মাদক খেয়ে বাড়ি ফিরে স্ত্রীকে মারধর করতেন। বৃহস্পতিবার রাতে রুবেল বাড়ি ফিরে তার পকেটে ১০০ টাকা তার স্ত্রী চুরি করেছে বলায় উভয়ের মধ্যে ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে রুবেল তার স্ত্রীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন। এরপর শুক্রবার সকালে বাড়ির একটি পরিত্যক্ত ঘরের আড়ার সঙ্গে তার স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পায় এলাকাবাসী। রুবেলের নয় বছর বয়সী ছেলে রাহাতের বরাত দিয়ে সদর থানা পুলিশ জানায়, রাতে চামেলীকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার পর রাহাত ও তার ৪ বছর বয়সী বোন রাফি ঘুমিয়ে পড়ে। এরপর সকালে অন্যদের সঙ্গে তারাও মায়ের ঝুলন্ত লাশ দেখতে পায়।
তবে পুলিশের ধারণা, নির্যাতনের পর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার পুলিশ পরিদর্শক রেজাউল করিম বলেন, ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে চামেলীকে হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন হাতে পেলে মৃত্যুর কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, তাকে আটক করতে অভিযান চলছে।