ডেস্ক :
বগুড়ার ধুনটে দাদা-দাদির সঙ্গে ওয়াজ শুনতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া দ্বিতীয় শ্রেণির স্কুলছাত্রীকে (৮) ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের নরসরপুর গ্রামে সোমবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। পরে মাহফিলের মঞ্চের কাছে বাঁশঝাড়ে তার বিবস্ত্র লাশ পাওয়া যায়।

পুলিশ ও গ্রামবাসী জানায়, শিশুটি পাঁচথুপি-নসরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। তার বাবা ও মা ঢাকায় পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। সে নসরতপুর গ্রামে দাদার বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত। গ্রামের জান্নাতুল ফেরদৌস কবরস্থান চত্বরে দু’দিনব্যাপী তাফসিরুল কোরআন মাহফিল শুরু হয়। প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মাহফিলের আয়োজন করে কবরস্থান পরিচালনা কমিটি। শিশুটি তার দাদা ও দাদির সঙ্গে সোমবার রাতে প্রথম দিনের তাফসির শুনতে যায়। রাত ১০টার দিকে সে চিপস কিনতে মঞ্চের পাশের দোকানে যায়। এরপর থেকে তাকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। একপর্যায়ে রাত ১টার দিকে মঞ্চের কাছে বাঁশঝাড়ে তার বিবস্ত্র লাশ পড়ে থাকতে দেখা যায়। খবর পেয়ে ধুনট থানা পুলিশ লাশ উদ্ধার করে। মঙ্গলবার সকালে ওই শিশুর লাশটি বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা জানান, দুর্র্বৃত্তরা শিশুটিকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করতে পারে। জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।