বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মজিবর রহমান মজনু বলেছেন, বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং গণতন্ত্রের প্রতীক। তিনি সকল অরাজনৈতিক শক্তির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছেন। সেনা শাসকদের বিরুদ্ধে একমাত্র গণতান্ত্রিক শক্তি হলো আওয়ামী লীগ। যার নেতৃত্ব দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু এবং তার কন্যা শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা আজ নেতৃত্বের ক্ষেত্রে বাংলাদেশে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। সারাবিশ্ব আজ শেখ হাসিনাকে রোল মডেল মনে করে। দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। স্বল্পোন্নত দেশ থেকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার আমলে। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু তৈরি হচ্ছে। মহাকাশে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে তথ্য প্রযুক্তির ক্ষেত্রে উন্নত বিশ্বের সমান কাতারে যুক্ত হয়েছে বাংলাদেশ। ভঙ্গুর বিদ্যুৎ খাত আজ সর্বোচ্চ সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ১০ হাজার মেগাওয়াটের উপরে আজ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হচ্ছে। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণাধিন। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব বানকি মুন পর্যন্ত এখন বলতে বাধ্য হচ্ছেন, বাংলাদেশের কাছে আমাদের অনেক কিছু শেখার আছে। আর এসব সম্ভব হয়েছে জননেত্রী শেখ হাসিনার কারণে। অথচ আজকের সফল প্রধানমন্ত্রীকে ২০০৭ সালে তৎকালীন সেনা সমর্থিত সরকার গ্রেফতার করেছিল। তাকে রাজনৈতিক ভাবে হত্যা করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছিল অরাজনৈতিক শক্তি। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের কারণে তা সম্ভব হয়নি। বঙ্গবন্ধুর ন্যায় মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছিলেন তিনি। তাইতো সাধারণ মানুষের চাপে তৎকালীন সরকার তাকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়েছিল। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৮টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জননেত্রী শেখ হাসিনার ১২তম কারাবন্দি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি উপরোক্ত কথাগুলি বলেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ডা. মকবুল হোসেন। সভায় আরো বক্তব্য রাখেন তোফাজ্জল হোসেন দুলু, আবুল কালাম আজাদ, এড. রেজাউল করিম মন্টু, শাহ্্ আব্দুল খালেক, রাগেবুল আহসান রিপু, টি জামান নিকেতা, প্রদীপ কুমার রায়, আসাদুর রহমান দুলু, শেরিন আনোয়ার জর্জিস, এড. শফিকুল আলম আক্কাস, কামরুন্নাহার পুতুল, আনিছুজ্জামান মিন্টু, এস এম রুহুল মোমিন তারিক, এস এম শাজাহান, এবিএম জহুরুল হক বুলবুল, মাশরাফী হিরো, তপন চক্রবর্তী, শাহাদৎ হোসেন শাহীন, ওবায়দুল হাসান ববি, আলমগীর বাদশা, আব্দুস সালাম, শুভাশীষ পোদ্দার লিটন, আমিনুল ইসলাম ডাবলু, মঞ্জুরুল হক মঞ্জু, এড. লাইজিন আরা লিনা, ডালিয়া নাসরিন রিক্তা, নাইমুর রাজ্জাক তিতাস, অসীম কুমার রায়, রাশেকুজ্জামান রাজন প্রমুখ। এর আগে সকাল সাড়ে ৭টায় জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন এবং সকাল পৌনে ৮টায় বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় ৪ নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।