নোতুন খবর.কম ঃ

বগুড়ায় যমুনার পানি কমার সাথে সাথে ভাঙ্গন বেড়ে গেছে।
অনেক চরান্চলে যমুনার ভাঙ্গন বেড়ে যাওয়ায় তারা ঘড়বাড়ী ভেঙ্গে অন্যত্র চলে যাচ্ছে। কেউ কেউ উপায় না দেখে ঝুকি নিয়েই ঠাই গুজে বসে আছে দুর্গম চরে। ভাঙন আতংকে নির্ঘুম রাত কাটছে তাদের। এক দিকে খাবার নেই, ফসল নষ্ঠ হয়ে গেছে, অন্যদিকে যমুনার ভাঙ্গন।
বোহাইল চরের আজম আলী জানান, এবার গত বছরের চেয়ে চর ভাঙগনের কবলে পড়েছে বেশী। সারিয়াকান্দির বোহাইল, আওলাকান্দী বেশী ভাঙ্গছে বলে জানান তিনি। আযম জানান, ভাঙ্গনের কারনে অনেকেই অন্য জায়গায় চলে গেছে।
ধুনটের বৈশাখী চরের আনোয়ার পারভেজ জানান, বৈশাখী চরে ৬ শ পরিবার বাস করতো। গত বছর থেকে ভাঙ্গতে শুরু করেছে চরটি। এবার ভাঙ্গনের তীব্রতা খুবই বেশী। বৈশাখীর চার ভাগের তিন ভাগ চলে গেছে যমুনা গর্ভে। কেউ কেউ আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে মুখ গুজে পরিবার নিয়ে অবস্হান করছে। চরের নিম্নমাধ্যমিক, প্রাথমিক বিদ্যালয়, মসজিদ ভাঙ্গনের কবলে পড়ায় ভেঙ্গে অন্যত্র নিয়ে আসা হয়েছে।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী কর্মকর্তা জানান, এখন যমুনার সারিয়াকান্দী পয়েন্টে বিপদসীমার ৯৬ সেঃ মিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, বন্যা নিয়ন্ত্রন বাধ যমুনার তীর থেকে দুরে তাই ভাঙ্গনের কবলে পড়ার সম্ভাবনা নেই। তবে পানি কমলে সে ক্ষেত্রে চরে ভাঙ্গন হয়। সেই ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে কিছু চরান্চল।
বগুড়া জেলা প্রসাশক মোঃ জিয়াউল হক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বগুড়ার সোনাতলা, সারিয়াকান্দী ও ধুনট উপজেলার ২৪ টি ইউনিয়নের ৩২,৯১১ পরিবারের ১লাখ ৩৩ হাজার ১০ জন মানুষ বন্যার কারনে পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। তাদের ৬৬০ মেঃ টন চাল, ১৮ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে। এ ছাড়াও গো খাদ্যের জন্য ৯ লাখ এবং শিশুদের জন্য ৪ লাখ টাকা দেয়া হয়েছে।