নোতুন খবর.কম :
বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটি নিয়ে কথা বলার জেরধরে বগুড়া বিএপি কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এঘটনায় ৩ জন আহত হয়েছে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়। মঙ্গলবার দুপুরে বগুড়া শহরের নবাব বাড়ি সড়কে জেলা বিএনপি কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, বেলা ১১টায় বগুড়া জেলা বিএনপি কার্যালয়ে জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপির প্রতিনিধি সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া-৬ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির আহ্বায়ক গোলাম মোহাম্মদ সিরাজ। সভায় জেলা, উপজেলা ও পৌর বিএনপির সকল আহ্বায়ক কমিটির মেয়াদ আগামী ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

সভা চলাকালে দুপুর ১টার দিকে শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির পদবঞ্চিতরা বিক্ষোভ করে উপজেলা বিএনপির কমিটি বাতিল চেয়ে সভাকক্ষে প্রবেশ করে। এ সময় তারা কমিটি নিয়ে কথা বলতে চাইলে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবকদলের নেতাকর্মীরা তাদেরকে বাধা দেয়। এ নিয়ে অফিসের মধ্যে হট্টগোল ও চেয়ার ভাঙচুর শুরু হয়। এক পর্যায়ে তাদেরকে ধাওয়া দিয়ে অফিস থেকে বের করে দেয়া হয়। এ সময় বহিরাগতদের উপর লাঠি দিয়ে হামলা করে যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাকর্মীরা। সংঘর্ষ চলাকালে ইটপাটকেল নিক্ষেপে আরমান আলীসহ বিএনপির ৩ সমর্থক আহত হন। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার সময় বিক্ষুদ্ধ কর্মীরা দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে এবং সেখানে ৪/৫টি চেয়ারও ভাংচুর করে। পরে খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।
এসময় বিএপির অনেক নেতাকর্মীকে লাঠিহাতে দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়।

শিবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মীর শাহে আলম জানান, শুধু শিবগঞ্জ নয়, ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সব কমিটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে। শিবগঞ্জের কমিটি নিয়ে প্রতিনিধি সভা চলাকালে হট্টগোল করার চেষ্টা করে বহিরাগত লোকজন।

জেলা বিএনপির সদস্য খায়রুল বাসার বলেন, বিএনপির বহিস্কৃত নেতাকর্মীরা কোন কারণ ছাড়াই দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করে বিশৃংখলা করার চেষ্টা করে। পরে সিনিয়র নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে বিষয়টি সমাধান করা হয়।

বগুড়া সদর থানার ওসি হুমায়ুন কবির বলেন, বিএনপি কার্যালয়ের সামনে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করে।