নোতুন খবর.কম :
করোনা ভাইরাসে কর্মহীন হয়ে পড়া বগুড়ার প্রায় ৫০ জন সাংস্কৃতিক কর্মীদের হাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্য সামগ্রী তুলে দিল বগুড়া অনুশীলন’৯৫ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠি। চলতি লকডাউন চলা পর্যন্ত বগুড়ার সাংস্কৃতিক কর্মীদের মাঝে এই খাদ্যসহায়তা প্রদান করা হবে। দির্ঘ প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় কোন কর্মসূচি না থাকায় বগুড়ার বিভিন্ন সংগঠনের সাংস্কৃতিক কর্মীরা দিনের পর দিন বেকার হয়ে পড়েছে। সরকারের বিভিন্ন সহযোগিতার পাশাপাশি বগুড়া অনুশীলন’৯৫ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠিও বেকার হয়ে যাওয়া সাংস্কৃতিক কর্মীদের হাতে খাদ্য সামগ্রী তুলে দিল। খাদ্যসামগ্রীগুলো পেয়ে সাংস্কৃতিক কর্মীদের মুখে হাসি ফোটে।
বুধবার দুপুরে (৭ জুলাই) বগুড়া শহরের নবাববাড়ি সড়ক থেকে খাদ্য সামগ্রীগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে সাংস্কৃতিক কর্মীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় এবং অধিকাংশদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেয়া হয়। কর্মহীন সাংস্কৃতিক কর্মীরা হঠাৎ করে উপহার পেয়ে আনন্দিত হয়ে পড়েন।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রকৌশলী মনোয়ারুল ইসলামের নির্দেশনায় ও সাধারণ সম্পাদক লিপি প্রধানের সার্বিক তত্বাবধানে উপহার সামগ্রী তুলে দেয়া হয়। কর্মসূচির শুরু করেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ও বাংলাদেশ গ্রাম থিয়েটারের সাধারণ সম্পাদক তৌফিক হাসান ময়না। উপস্থিত ছিলেন সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক আবু সাঈদ সিদ্দিকী, কোষাধ্যক্ষ রবিউল আলম অশ্রু, দপ্তর সম্পাদক এইচ আলিম, বগুড়া ইয়ূথ কয়্যার সভাপতি লায়ন আতিকুর রহমান মিঠু, অনুশীলন’৯৫ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠির সহ সভাপতি সাজ্জাদ আলী, সাধারণ সম্পাদক লিপি প্রধান, সহ সাধারণ সম্পাদক ওয়ারেছ ভুট্ট, আবু শাহেদ, আতাউর রহমান, সঙ্গিত শিল্পি আকাশ হোসেন, গীতিকার ও সংগঠনের সঙ্গিত শিল্পি পিংকু আহম্মেদ প্রমুখ।
বগুড়া অনুশীলন’৯৫ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি প্রকৌশলী মনোয়ারুল ইসলাম জানান, করোনার সংকটকালে সকলের সহযোগিতা নিয়ে এমন কাজ করে যেতে চাই। কঠোর লকডাউনে সাংস্কৃতিক কর্মীদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এখনও করে যাচ্ছেন। কিছু সংগঠনও সহযোগিতা করেছে। জেলার সাংস্কৃতিক কর্মীদের জন্য অনুশীলন’৯৫ সাংস্কৃতিক গোষ্ঠির সকল সদস্যবৃন্দ নিবেদিত হয়ে কাজ করতে সবসময় তৎপর হয়ে থাকবে। এই খাদ্য সহযোগিতা (যাদের জরুরী প্রয়োজন) চলতি মাসের লকডাউন থাকা পর্যন্ত কর্মসূচি চলবে। যেন কর্মীরা লকডাউনের নিয়ম না ভাঙ্গে। আর ঘরে থাকে।