নোতুন খবর.কম : দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে বগুড়ায় যমুনা ব্যাংকের ১৫ কোটি ৮৫ হাজার ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ওই ব্যাংকের ৪ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বৃহস্পতিবার মামলা দায়ের করেছে।
এই মামলায় দুদক ৩ জনকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করার পর তাদের জেল হাজতে পাঠান হয়।
গ্রেতারকৃতরা হলো-যমুনা ব্যাংক বগুড়া শাখার সাময়িক বরখাস্তকৃত এক্সিকিউটিভ অফিসার রেজওয়ানুল হক(৩৮), রবিউল ইসলাম(৩৯) এবং সমায়িক বরখান্তকৃত অফিসার আব্দুর রউফ(৩৬)। ব্যাংকের আরেকটি দুর্নীতির ঘটনায় তারা সাময়িক বরাখাস্ত হন। দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মনিরুজ্জামান, মামলা ও অভিযুক্তদের গ্রেফতারের সত্যতা স্বীকার করেছেন।
দুদক বগুড়া সমন্বিত কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় গ্রেফতারকৃত ৩ জন ছাড়াও একই ব্যাংকের সাময়িক বরখাস্তকৃত শাখা ব্যবস্থাপক সাওগাত আরমানকে (৪২) অভিযুক্ত করা হয়েছে। তিনি যমুনা ব্যাংক লিঃ বগুড়া শাখার প্রায় ১২ কোটি টাকা আত্মসাতের আরেকটি দুর্নীতির মামলায় বর্তমানে জেল হাজতে রয়েছেন। দুদক মামলায় উল্লেখ করেছে, অভিযুক্ত ৪ ব্যাংক কর্মকর্তা পরস্পর যোগসাজ করে ব্যাংকের নিয়মনীতি উপেক্ষা করে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে প্রায় ১৫ কোটি ৮৫ লাখ টাকার পে অর্ডার, পারফরমেন্স গ্যারান্টি টেন্ডার সিকিউরিটি ইস্যু করেন। তারা ব্যাংকের বুকস অব এ্যাকাউন্টসে এটি নথিভুক্ত করেননি এবং ভ্যাট স্ট্যাম্পচার্জ এবং মার্জিন গ্রহন না করে ব্যাংক ও সরকারের আর্থিক ক্ষতি সাধন করেছেন বলে দুদক জানায়। দুর্নীতির মাধ্যমে অভিযুক্তরা পরস্পর যোগসাজসে ক্ষমতার অপব্যাবহার করে ওই টাকা সুবিধাভোগীদের প্রত্যক্ষ সহায়তায় আত্মসাত করেছে বলেও মামলায় উল্লেখ করা হয়। অভিযুক্ত ৩ ব্যাংক কর্মকর্তাকে (সাময়িক বরখাস্তকৃত) গ্রেফতারের পর দুদক তাদের আদালতে হাজির করে। আদালতের নির্দেশে গ্রেফতারকৃতদের জেল হাজতে পাঠান হয়েছে।