নোতুন খবর.কম :
জেনারেল আজিজ আহমেদ তাঁর বিদায়ী বক্তব্যের শুরুতেই স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারীসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধাদের যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের বহু কাঙ্খিত স্বাধীনতা। সেইসাথে তিনি পার্বত্য চট্রগ্রামে এবং জাতিসংঘ শন্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালনকালে শাহাদত বরণকারী সকল সেনাসদস্যের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করতঃ তাদের রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। জেনারেল আজিজ আহমেদ বিশেষ ,কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা’র প্রতি যার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আজ একটি আধুনিক এবং চৌকষ বাহিনী হিসেবে বিশ্বের দরবারে মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়েছে।


জেনারেল আজিজ আহমেদ কর্ণেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে তাঁর গৃহীত পদক্ষেপ সমূহ তুলে ধরে বলেন, ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আলোকে একটি আধুনিক এবং যুগোপযুগি সেনাবাহিনী গড়ে তোলার লক্ষে তিনি আমার্ড কোর, কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এবং বাংলাদেশ ইনফ্যান্ট্রি রেজিমেন্ট নতুন ইউনিট প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সংযোজন করেছেন অত্যাধুনিক অস্ত্র, গোলাবারুদ এবং সরঞ্জামাদি। সেই সাথে আধুনিকায়ন এবং সম্প্রসারনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে যুগোপযুগি প্রশিক্ষনের জন্য তিনি প্রশিক্ষণ সহায়ক অবকাঠামো নির্মান ও সংস্কারসহ প্রযুক্তি নির্ভর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করেন বলে জানান। কর্ণেল কমান্ড্যান্ট হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে তাঁকে সর্বাত্মক সহযোগীতা করার জন্য তিনি সংশ্লিষ্ঠ সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য তিনি জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ১১ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার বড়–[া এরিয়া এবং সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। পরিশেষে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর আর্মড কোর, কোর অব ইঞ্জিনিয়ার্স এবং বাংলাদেশ ইনফ্যাষ্ট্রি তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে উন্নতি ও অগ্রগতির ধারা অব্যাহত রাখবে বলে তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।