বগুড়ায় স্কুলছাত্রী সেমন্তীর আতœহত্যার প্ররোচনা দানকারিদের বিচারের দাবিতে বাবা, মা ও বোনের মানব বন্ধনবগুড়ায় ওয়াই এম সিএ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের ১০ ম শ্রেণীর ছাত্রী মাইসা ফাহমিদা সেমন্তীর আতœহত্যায় প্ররোচনা দানকারিদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানব বন্ধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে সেমন্তির স্কুলের সামনেই তার বাবা হাসানুল মাশরেক রুমন, মা জান্নাতুল ফেরদৌস ও ছোট বোন মাইসা জাহিদা রুপন্তী প্লাকাড বুকে ঝুলিয়ে মানব বন্ধন শুরু করে। শ্রামন্তীর মার বুকে ঝুলানো প্লাকার্ডে লিখা ছিল “আতœ হত্যার প্ররোচনা হত্যা করার সামিল, এটা হত্যার অপরাধ”। এসময় তাদের দুই পরিচিতজন এসে মানব বন্ধনে অংশ নেয়। পরিবারের সদস্যদের এই মানব বন্ধন চলাকালে শ্রামন্তীর বাবা হাসানুল মাশরেক রুমন সাংবাদিক দের বলেন, আমার মেয়ের আতœহত্যার প্ররোচনা দানকারির বিচার চেয়ে তার স্কুলের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকরা মানব বন্ধনে দাঁড়ানোর কথা ছিল। কিন্তু আজ সকালে এসে শিক্ষককে বললে তারা মানব বন্ধনে দাঁড়াতে অস্মিকার করে। কি কারনে কার ভয়ে তারা আজ মানব বন্ধনে অংশ নিচ্ছেনা তা আমার জানা নেই। এসময় তিনি আরো বলেন, আমার মেয়ে আতœহত্যার পর বেশ কিছুদিন পার হয়ে গেছে। তার আতœহত্যায় কেউ প্ররোচনা দান করেছে এবিষয় নিয়ে আমরা মামলা করতে গেলেও প্রথমে পুলিশ তা নেয়নি। পরে পুলিশ একটি অভিযোগের কাগজ জমা নিলেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। এঘটনার ফেসকুকের যে আলামত গুলি আমার কাছে ছিল তাও পুলিশ কে দিয়েছি। কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থাই নিতে পারেনি।
মানব বন্ধনে না দাঁড়ানোর বিষয়ে জানতে চাইলে ওয়াই এম সিএ পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি প্রধান শিক্ষক পারভিন আক্তার জানান, সেমন্তীর বাবা কাল সোমবার স্কুলে এসেছিল। তিনি সেমন্তীর ক্লাশের কন্ধুদের সাথে কথা বলেছেন। কিন্তু মানব বন্ধন করবেন এমনটা বলেননি। তাই সকালে হঠাৎ করে এসে বলায় আমরা বের হইনি।
এদিকে মানব বন্ধনের কথা শুনে আগেথেকেই প্রশাসনের লোকজন গিয়ে সেখানে অবস্থান নেয়। তাদেরকে বারবার সেমন্তীর বাবার সাথে কথা বলতে দেখা যায়। একপর্যায়ে স্কুলের শিক্ষক শিক্ষার্থীরা মানব বন্ধন করতে বের নাহলে সেমন্তীর বাবা, মা ও বোন প্লাকার্ড ঝুলিয়ে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এসময় প্রশাসনের উপস্থিত কর্মকর্তারা তাদেরকে একাজ থেকেও বিরত থাকার জন্য অনুরোধ জানায়।