নোতুন খবর.কম :
বগুড়া কাহালুতে উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনকে কেন্দ্রকরে হামলা, নেতাদের গাড়ি ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এসময় উপস্থিত কেন্দ্রীয় ও জেলা ও নেতৃবৃন্দের উপড় ইট-পাটকেল ও রেললাইনের পাথর নিক্ষেপের কারনে পুলিশের এক এএসআই ও ৬ জন দলীয় নেতাকর্মী আহত হয়েছে। এঘটনায় কমিটি ঘোষনা না করেই পুলিশের সহযোগিতায় ফিরে এসেছেন সংগঠনের কেন্দ্রিয় ও জেলা নেতৃবৃন্দ।
জানাযায়, শনিবার বগুড়ার কাহালু উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ছিলো। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি মজিবর রহমান মজনু। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবকলীগ কাহালু উপজেলার শাখার আহবায়ক ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম।


প্রধান বক্তার বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, স্বেচ্ছাসেবক লীগের কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি ম.আব্দুর রাজ্জাক, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি ভিপি সাজেদুর রহমান সাহীন, সাধারণ সম্পাদক জুলফিকার রহমান শান্তসহ জেলা উপজেলা নেতারা উপস্থিত ছিলেন। বিকেল ৩ টায় সম্মেলনের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। প্রথম অধিবেশন শেষ হয় বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে। এরপর দ্বিতীয় অধিবেশনের প্রস্তুতি চলছিলো। দ্বিতিয় অধিবেশন ও কমিটি ঘোষনার আগেই পদ পদবী নিয়ে শুরু হয় হট্টগোল। এক পর্যায় তা ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় রুপ নেয়। এসময় মঞ্চের চেয়ার ভাঙচুর থেকে শুরু করে একে অপরের প্রতি রেল লাইনের পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। পাথরের আঘাতে কয়েকটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একপর্যায়ে তারা নেতাদের লক্ষ করেও পাথর নিক্ষেপ করে। এসময় সম্মেলন স্থলে থাকা চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এসময় তাদের পাথরের আঘাতে কাহালু থানার এএসআই মাসুদ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা রাব্বি সহ ৬ জন নেতাকর্মী আহত হয়। পরে পুলিশ শর্টগানের গুলিছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এসময় নেতৃবৃন্দ কমিটি ঘোষনা না করেই সম্মেলন স্থল ত্যাগ করেন নেতৃবৃন্দ।
কাহালু থানার ওসি জিয়া লতিফুর রহমান জানান, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সম্মেলনের দ্বিতীয় পর্ব শুরু হওয়ার আগেই হঠাৎ সম্মেলন স্থলের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে থানার এএসআই মাসুদ আহত হয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে পুলিশ ১৫ রাউন্ড শর্টগানের গুলি ছুঁড়েছে। এঘটনায় এখন পর্যন্ত কেউ থানায় কোন লিখিত অভিযোগ করেনি।