নোতুন খবর.কম :
বগুড়া গওহর আলী ভবনের বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকা নিয়ে এ্যাডভোকেট কাজী রবিউল আলম মিঠু ও বিচার প্রার্থী পি এম শাহেদুল্লাহ বুলুর মধ্যে হাতাহাতি ও মারপিটের ঘটনা ঘটেছ। বৃহস্পতিবার দুপুরে ভবনের ২য় তলায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি ভবনের সিসি ক্যামেরাতেও ধরা পড়েছে।

জানাযায়, বগুড়া বিসিকের সাবেক ডিজিএম টিএম শাহেদুল্লাহ তার জমি সংক্রান্ত মামলার কাজে আইনজীবী বিজেডএম ফারুক এর গওহর আলী ভবনের চেম্বারে যান। এ সময় তার আইনজীবী ফারুক চেম্বারে না থাকায় তিনি আইনজীবীর কক্ষের বাইরে মহরীসহ দু’জন ব্যক্তির সঙ্গে গওহর আলী ভবনের দ্বিতীয় তলায় কথা বলছিলেন। এ সময় অতি‌রিক্ত পি‌পি কাজী রবিউল আলম মিঠু ঐ পথ দিয়ে যাওয়ার সময় শাহেদুল্লাহ’কে রাস্তা থেকে সরে দাঁড়াতে বলেন। এ সময় তাদের মাঝে বাকবিতন্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে আইনজীবী রবিউল আলম মিঠুর সাথে বিসিকের সাবেক ডিজিএম শাহেদুল্লার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে সেখানকার আইনজীবী ও কোর্টে আসা লোকজন তাদের থামিয়ে দেয়।

পি এম শাহেদুল্লাহ বুলুর স্ত্রী শামিম আরা জানান, পি এম শাহেদুল্লাহ বুলু একটি মামলার কারনে তার এ্যাডভোকেটের কাছে গিয়েছিলেন। আইনজীবী না থাকায় চেম্বারের বাইরে তিনি মহরী এবং তার সাথে একজন ব্যক্তিকে নিয়ে মামলা সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে কথা বলছিলেন। এসময় অন্য এক এ্যাডভোকেটের সাখে কথা কাটাকাটি ও মারপিট করা হয়। এতে তিনি এক চোখে আঘাত পেয়েছেন।

এ্যাডভোকেট কাজী রবিউল আলম মিঠু সাংবাদিকদের জানান, তিনি কয়েকজন লোকজন নিয়ে রাস্তা বন্ধ করে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এসময় তিনি তাদেরকে সরে যেতে বলেন। এটা শুনে ওই ব্যক্তি তার উপর রেগে উত্তেজিত হয়ে যান। এরপর আমিও উত্তেজিত হই। পরে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি একটু ধাক্কাধাক্কি হয়েছে এই আরকি।

বগুড়া জেলা এ্যাডভোকেটস বার সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ্যাড, রফিকুল ইসলাম জানান, আমি সেখানে ছিলামনা না। তবে সিসি ক্যামেরার ফুটেজে যা দেখেছি তাতে একজন ক্লায়েন্টের সাথে একজন এ্যাডভোকেটের কথা কাটাকাটি ও মারপিট হয়েছে।