নোতুন খবর.কম : বগুড়া জেলা পরিষদ থেকে ক্রয়কৃত সম্পত্তি জোর পূর্বক দখল নেয়ার অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বুধবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন শিবগঞ্জের মোঃ ফজলে রাব্বি চৌধুরী।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, বগুড়া জেলা পরিষদ থেকে ১৯৭৯ সালে দরপত্রের মাধ্যমে ক্রয়কৃত ৭৩ শতক জমি শিবগঞ্জ থানাধীন লক্ষীপুর মৌজার সি,এস ১৩৯, এম,আর,আর-২, ডি,পি ৩৪১ নং খতিয়ানভুক্ত সাবেক দাগ নং ৪০০ এবং হাল ২০১৩ নং দাগের ৭৩ শতক সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করে জেলা পরিষদ দখলে নিয়েছে।
অভিযোগে বলা হয় উক্ত সম্পত্তি বগুড়া জেলা পরিষদের মালিকানাধীন সম্পত্তি ছিল কিন্তু ১৬/০৫/১৯৭৯ তারিখে জেলা পরিষদ হতে দরপত্র আহবান করলে আমাদের পিতা সর্বোচ্চ দরদাতা হিসাবে বিবেচিত হন এবং বিধি সম্মতভাবে উক্ত দরপত্র অনুমোদন হওয়ার পর ১৫ হাজার টাকা জামানত সহ সাকুল্য ১,৫১,৭৩১/৩১ টাকা বিভিন্ন সময়ে আমার পিতা হতে জেলা পরিষদ পক্ষে সচিব, জেলা পরিষদ, বগুড়া গ্রহন করেন।
অতঃপর ০৪/০৬/১৯৮০ তারিখে উপরিউক্ত সম্পত্তি ও তদুপরিস্থিত অবকাঠামো,গাছপালার দখল আমাদের পিতা মোফাখখর হােসেন চৌধুরী বরাবর বুঝিয়ে দেয়া হয়। তৎপর হতে উপরিউক্ত সম্পত্তি আমাদের মৌরশ জেলা পরিষদ হইতে দখল বুঝে পেয়ে নিরবিচ্ছিন্ন ও শান্তিপুর্ণভাবে দখল ভোগ করে আসা অবস্থায় আমাদের পিতার নামে ডি,পি-৩৪১ নং খতিয়ান প্রস্তুত হয় এবং তিনি অভাব হইলে আমরা স্বত্ববান ও দখিলকার নিযুক্ত আছি। উপরিউক্ত সম্পত্তি বাবদে কবলা দলিল রেজিঃ করে না দেওয়ায় আমরা ওয়ারিশগন বরাবর কবলা দলিল রেজিষ্ট্রি করে চাইলেও জেলা পরিষদ এর পক্ষ হতে রেজিঃ করে না দেওয়ায় এবং উপরিউক্ত সম্পত্তি জেলা পরিষদ,বগুড়া হতে বেদখলের হুমকি প্রদান করলে আমরা জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সচিব, ইউনিয়ন ভূমি সহকারী, মোকামতলা, শিবগঞ্জ সহকারী কমিশনার (ভূমি) শিবগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব), বগুড়া এবং জেলা প্রশাসক, বগুড়াগনকে বিবাদী করে আমরা জেলা বগুড়ার শিবগঞ্জ থানা সহকারী জজ আদালতে বাধ্যতামূলক ও চিরস্থায়ী নিষেধাজ্ঞার বাবদ ১৬৮/২০১৫ অন্য নম্বর মোকদ্দমা করি। উক্ত মোকদ্দমা মাননীয় আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। উপরিউক্ত বিষয় সম্যকভাবে জানা স্বত্বেও আমাদের ও আমাদের ভাড়াটিয়াদের প্রতি কোন প্রকার নোটিশ প্রদান না করে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান, সদস্যবৃন্দ, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বগুড়া এবং শিবগঞ্জ থানার প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সহায়তায় অকস্মাৎ আমাদের স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তিতে ইং, ১০/১২/২০১৯ তারিখ সকাল আনুমানিক ১১ টায় উপস্থিত হয়ে সম্পূর্ণ অন্যায় ও অবৈধভাবে আমাদের স্বত্ব দখলীয় সম্পত্তি হতে আমাদেরকে এবং আমাদের ভাড়াটিয়া দেরকে বের করে দিয়ে নালিশী সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে নেয়। ওই সম্পত্তিতে সাইনবোর্ড সহ লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে নালিশী সম্পত্তি সরকারী সম্পত্তি বলে মাইকে ঘোষনা দেয়।
আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, মাননীয় আদালতে নালিশী সম্পত্তি নিয়ে মোকদ্দমা রয়েছে এবং তা বিচারাধীন আছে। যা বার বার স্মরন করে দেয়া স্বত্বেও আদালতকে সম্পূর্ণ অবজ্ঞা করে নালিশী স্থানে তারা উক্তরুপ কর্মকান্ড পরিচালনা করোছে। যাহার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন ও ন্যায় বিচার প্রার্থনা করেন।