ডেস্ক ঃ
বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন এমন অভিযোগ এনে বগুড়ার নন্দীগ্রামের কুন্দারহাট বাজারে এক ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতির হাতে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হয়েছেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ। এদিকে চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদ জানিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অম্গ সংগঠনের পক্ষথেকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে।

জানাগেছে, শনিবার দুপুরে কুন্দারহাট বাজারে একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ। এসময় একই উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জুলফিকার আলী সেখানে হাজির হয়ে উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহর সাথে তর্কে জড়িয়ে পারে। এর এক পর্যায়ে সে চেয়ারম্যানকে গালিগালাজ কর কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। এসময় স্থানীয় লোকজন উপজেলা চেয়ারম্যানকে উদ্ধার করে উপজেলা পরিষদে পাঠিয়ে দেন। উপজেলা চেয়ারম্যান চলে যাওয়ার পর কুন্দারহাট বাজারে আওয়ামী লীগ নেতা জুলফিকার আলীর নেতৃত্বে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। উপজেলা চেয়ারম্যান বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করেছেন এমন অভিযোগ এনে তার অপসারণ দাবি করা হয় বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে।
এদিকে চেয়ারম্যানকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদ জানিয়ে উপজেলা আওয়ামীলীগ ও অম্গ সংগঠনের পক্ষথেকে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করা হয়েছে। বেলা ৩ টার দিকে মিছিলটি বের হয়ে উপজেলা সদরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এসে সমাবেশ করে।

ভাটগ্রাম ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জুলফিকার আলী বলেন, বঙ্গবন্ধুর মাজার জিয়ারত করতে যাওয়া নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করায় আমি উপজেলা চেয়ারম্যানকে মারপিট করেছি।

নন্দীগ্রাম উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ বলেন, আমি নৌকা মার্কা নিয়ে উপজেলা নির্বাচন করেছি। বঙ্গবুন্ধুকে নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করার প্রশ্নই ওঠে না। তিনি বলেন, কুন্দারহাট বাজারে শত শত মানুষের সামনে আমাকে মারধর করা হয়েছে। আমি থানা পুলিশকে বিষয়টি জানিয়েছি।

নন্দীগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শওকত কবীর বলেন, ঘটনা শুনেছি, লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।