নোতুন খবর.কম :
বগুড়া ফতেহআলী বাজার অঘোষিত বন্ধ রেখেছে ব্যবসায়ীরা। করোনা বিস্তার রোধে আলতাফুন্নেছার খেলার মাঠে বাজার স্থানান্তরের ফলে অতিরিক্ত শীতে ব্যবসায়ীদের শারিরিক অসুস্থ্যতা ও ক্রেতা কম থাকায় লোকসানের কারনে বাজারে মাছ, মুরগী, গোস্ত ও কাঁচা বাজারের দোকান বসছে না বলে জানিয়েছে ব্যবসায়ীরা।
করোনা ভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবেলায় সামাজিক দুরত্ব নিশ্চিতের জন্য বগুড়া প্রধান দুটি কাঁচা বাজার শহরের আলতাফুন্নেছার খেলার মাঠে স্থানান্তর করা হয়। গত শুক্রবার থেকে ওই মাঠে বাজারের কার্যক্রম শুরু হয়। সেখানে গত সোমবার পর্যন্ত কাঁটা ও মাছের কিছু দোকান দেখা যায়। মঙ্গলবার থেকে মাঠে দোকান কমতে থাকে। বুধবার অনেকটাই দোকান শুন্য হয়ে যায় আলতাফুন্নেছার খেলার মাঠের বাজার।
ফতেহআলী বাজারে গিয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথাবলে জানা যায়, করোনা ভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে আইনের প্রতি শ্রদ্ধারেখে প্রশাসনের অনুরোধে আমরা গত ৩/৪ দিন আলতাফুন্নেছার খেলার মাঠে দোকান নিয়ে গেছি। ব্যবসায়ীদের সকাল ৬ টা থেকে শুরু করে রাত ৮ টা পর্যন্ত থাকতে হয়। খোলা মাঠে বাজার হওয়ায় কয়েকদিরে শীতে আমাদের ব্যবসায়ীরা অনেকেই অসুস্থ্য হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি মাঠে ক্রেতা সমাগম কম থাকায় প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে। এই তিন দিনেই ব্যবসায়ীদের কয়েক লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। এ অবস্থায় আমরা আর মাঠের বাজারে যেতে চাচ্ছিনা।
বগুড়া ফতেহআলী বাজার কাঁচামাল ব্যবসায়ী বহুমুখী সমবায় সমিতির সভাপতি আবু কালাম আকন্দ জানান, আমাদের বাজারের আশেপাশের রাজা বাজার, লাইন বাজার, চাষী বাজার বাজারের ব্যবসায়ীদেরও আলতাফুন্নেছার খেলার মাঠের বাজারে দোকান নিয়ে যাবার কথা। কিন্তু গত কয়দিনে অন্যকোন বাজারের ব্যবসায়ীরা মাঠের বাজারে যায়নি। অন্য কোন বাজারের ব্যবসায়ীরা সেখানে যায়নি। এদিকে আমাদের বাজারের ব্যবসায়ীরা খোলা মাঠের ওই বাজারে দিয়ে শীতে অসুস্থ্য হয়ে পড়ছে। পাশাপাশি ওই বাজারে ক্রেতা কম থাকায় প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে। এঅবস্থায় কোন ব্যবসায়ীই আর মাঠের বাজারে যেতে চাচ্ছেনা। তাই মাঠের বাজারে আমরা আর যাবনা। এখন প্রশাসন থেকে নির্দেশ পেলেই আমরা ফতেহআলী বাজারেই আমাদের দোকান খুলতে পারি।