নোতুন খবর.কম : স্থানীয় সরকার বিভাগের অর্থায়নে বগুড়া জেলা পরিষদ’র সহযোগিতায় কোভিড-১৯ মোকাবেলার লক্ষে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ৫০টি হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সহ সাড়ে ৮ লাখ টাকার “মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট” সরবরাহ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১২টায় জেলা পরিষদের কনফারেন্স রুমে এসব সামগ্রী হস্তান্তর করেন।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডাঃ মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে ও জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী আশরাফুল মোমিন খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান একেএম আসাদুর রহমান দুলু, সুলতান মাহমুদ খান রনি, নাজনীন নাহার, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সহকারি অধ্যাপক ও সার্জন ডা. লোকমান হোসেন জুয়েলসহ জেলা পরিষদের অন্যান্য সদস্য ও কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।
জেলা পরিষদ কর্তৃক সরবরাহকৃত ৮ লাখ ৪৮ হাজার টাকার সরবরাহকৃত মেডিকেল ইক্যুইপমেন্টের মধ্যে রয়েছে ৫০টি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা সার্কিট, ৫০০টি নন ব্রেথিং মাস্ক, ৫০০টি অক্সিজেন মাস্ক, ৫০০ নরমাল অক্সিজেন ন্যাজাল ক্যানোলা ও ২০টি ওয়াল মাউন্টেড ফ্লো মিটার।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ডা. মকবুল হোসেন বলেন, করোনা মোকাবেলায় সকলকে সচেতন হতে হবে। করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য সবার আগে প্রয়োজন হয় অক্সিজেনের। আর ক্রিটিকাল রোগীদের জন্য উচ্চ মাত্রার অক্সিজেন সরবরাহ জরুরী। যার জন্য হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলাসহ বেশ কিছু ইক্যুইপমেন্ট জরুরি। বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে জন্য এসব মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট করোনা আক্রান্ত রোগীদের সেবায় কাজে লাগবে। করোনা মোকাবেলায় ডাক্তারদের জন্য রোগীদের সেবায় এসব ইক্যুইপমেন্ট ব্যবহার হবে। রোগীরা যাতে দ্রæত তাদের সেবা পেয়ে সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরতে পারে তার জন্য জেলা পরিষদের এই প্রচেষ্টা। আগামীতেও করোনা রোগীদের জন্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে সরবরাহ অব্যাহত থাকবে।

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে আসাদুর রহমান দুলু জেলা পরিষদের জনহিতকর কার্যক্রম জাতির বিবেক কলম সৈনিক সাংবাদিকদের তুলে ধরার জন্য অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, সারাদেশের মধ্যে এই প্রথম বগুড়া জেলা পরিষদ এ ধরনের মহতী উদ্যোগ বাস্তবায়ন করলো। এ বাস্তবায়নই হবে গোটা দেশের প্রতিটি জেলা পরিষদের অনুপ্রেরণা।

মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট গ্রহনকালে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. লোকমান হোসেন জুয়েল জানান, করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য এটি অনেক কাজে লাগবে। এখন যে অবস্থা চলছে করোনাকালে তাতে সচেতন হওয়া জরুরি। প্রতিদিন রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। এই ইক্যুইপমেন্ট গুলো রোগীদের সেবায় কাজে লাগবে।