ডেস্ক : দিনাজপুর নবাবগঞ্জে পুলিশের সাথে বন্দুক যুদ্ধে ২ ডাকাত নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ৪ পুলিশ সদস্য আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
নবাবগঞ্জ থানার অফিসার্স ইনচার্জ অশোক কুমার চৌহান জানান, নবাবগঞ্জ থানা এলাকায় দেড়মাস আগে একটি নৈশ্যকোচে ডাকাতি হয়। ডাকাতির ঘটনায় একটি মামলাও হয়। এ মামলায় গ্রেফতারকৃত আসামিদের স্বীকারোক্তি মতে বুধবার রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানা এলাকা থেকে আসামি দিনাজপুর জেলার ঘোড়াঘাট থানার কৃঞ্চরামপুর গ্রামের হামেদ আলীর পুত্র ওয়াজেদ আলী (৩০) এবং গাইবান্দা জেলার সাদুল্লাপুর থানার খোরদোপাতা গ্রামের মোহাম্মদ আলীর পুত্র রফিকুল ইসলাম (২৮) কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃতদের নিয়ে অস্ত্র উদ্ধারের উদ্দেশে বুধবার দিবাগত রাতে আসামি ওয়াজেদ আলী ও রফিকুলকে নিয়ে পুলিশের একটি দল নবাবগঞ্জ থানার শালঘড়িয়া ইউনিয়নের মাগুরা সড়কের একটি ব্রীজের নীচে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডাকাতদের সহযোগিরা পুলিশকে লক্ষ্য করে গুলি করে। পুলিশও পাল্টা গুলি চালায়। গুলাগুলির এক পর্যায়ে পালিয়ে যাবার সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে দু’ডাকাত মারা যায়।
এ ঘটনায় পুলিশের ৪ সদস্য আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্য নবাবগঞ্জ থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) শামসুল ইসলাম, এস আই রিমেল মানিক, কনেষ্টবল তুষার রায় ও আব্দুল কাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দিনাজপুর পুলিশ লাইনস্ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ঘটনাস্থল থেকে নিহত ২টি লাশ ও ডাকাতদের ফেলে যাওয়া একটি পিস্তল ও ২টি ছোরা উদ্ধার করা হয়। এছাড়া ১৬টি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়।
নিহতদের লাশ ময়না তদন্তের জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। এ ব্যাপারে পুলিশ বাদি হয়ে একটি মামলা হয়।