ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার দাবানলের পর বিশ্বের এরোসলস (বাতাসে থাকা সুক্ষ কণা) এর পরিমাণ ৩ থেকে ৪ গুণ বেড়ে গেছে। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে অ্যারোসলস। যে কোন মূহুর্তে তা গ্রাস করবে বাংলাদেশ ও ভারতের বায়ুমণ্ডলকে। নাসার উপগ্রহ চিত্রে তাইই দেখা যাচ্ছে। নাসা

নাসা ও যুক্তরাষ্ট্রের ‘ন্যাশনাল ওশেনিক অ্যান্ড অ্যাটমস্ফেরিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশন- নোয়ার স্যাটেলাইট সুয়োমি এনপিপির পাঠানো ছবি ও তথ্যাদি বিশ্লেষণে দেখা গেছে ওই দাবানলের ধোঁয়া ইতোমধ্যেই গোটা বিশ্ব পরিক্রমা করে ফেলেছে। আর সেই পরিক্রমার পর তা এখন ফিরে গিয়েছে আবার পূর্ব অস্ট্রেলিয়ায়। আর সে কারণে প্রচুর পরিমাণে এরোসলস জমা হয়েছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে।

১৯৯২ সালে ইন্দোনেশিয়ার পিনাটুবো আগ্নেয়গিরির বিস্ফোরণের পর বায়ুমণ্ডল ভরে গিয়েছিল এরোসলস কণায়। ওই ঘটনায় কয়েক মাসের জন্য পৃথিবীর তাপমাত্রা কমে গিয়েছিল প্রায় হাফ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যাকে বলা হয়, ‘ গ্লোবাল কুলিং’ বা বিশ্ব হিমায়ন।

কল-কারখানার দূষণ, আগুনের ধোঁয়া, ধূলিঝড়ের ধূলা, সামুদ্রিক লবণ, আগ্নেয়গিরির ছাই এবং ধোঁয়াশা থেকে এরোসলস কণার জন্ম হয়। এরা কঠিন ও গ্যাসীয় অবস্থায় থাকে সাধারণত। তবে গ্যাসীয় অবস্থায় থাকলেও পরে তা কঠিনে রূপান্তরিত হয়।

সুয়োমি এনপিপির পাঠানো ছবি নতুন একটি শঙ্কার জন্ম দিয়েছে। এই ধোঁয়া বায়ুমণ্ডলের ট্রপোস্ফিয়ার অতিক্রম করে স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সম্পূর্ণ এরোসলস যদি এই স্তরে চলে যায় ফল অত্যন্ত খারাপ হবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।