ডেস্ক : অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির জন্ম দেয়া বাংলাদেশ-ভারতের ৫ ক্রিকেটারকে শাস্তি দিয়েছে আইসিসি। যেখানে বাংলাদেশ থেকে রাকিবুল হাসান, তৌহিদ হৃদয়, শামীম হোসেন এবং ভারত থেকে রবি বিষ্ণু ও আকাশ সিংকে ভিন্ন ভিন্ন সংখ্যক ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফাইনালে হারটা সহ্য হয়নি ভারতীয় যুবাদের। ম্যাচ শেষে জুনিয়র টাইগারদের সঙ্গে মৌখিক লড়াইয়েও নামে তারা।

একপর্যায়ে জুনিয়র টাইগারদের ম্যাচ জয়ের উদ্যাপনের মুহূর্তে বাংলাদেশের পতাকাও টেনে ধরে ভারতীয় যুবারা।

ভারতীয় ক্রিকেট দলের দুই সাবেক অধিনায়ক কপিল দেব ও মোহাম্মদ আজহার উদ্দিনের দাবি, আইসিসির বাইরে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডেরও (বিসিসিআই) উচিত অভিযুক্ত খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে আরো কঠোর পদক্ষেপ নেয়া। যাতে করে ভবিষ্যতে আর কেউ বিশ্বকাপের মতো মঞ্চে এমন কিছু করতে না পারে।

ফাইনাল ম্যাচ চলাকালে মাঠের মধ্যে স্লেজিং বা কথাকাটাকাটি যা হয়েছিল, সবই ছিল স্পোর্টিং। পুরোপুরি ক্রিকেটীয়। মাঠের সেসব ঘটনা মাঠে রাখাই হতো যুক্তিযুক্ত কাজ। কিন্তু তা না করে ম্যাচ শেষে প্রায় হাতাহাতি লেগে যায় দুদলের ক্রিকেটারদের মধ্যে। তবে দেশের যুবাদের এমন দৃষ্টিকটু মনোভাব পছন্দ হয়নি কপিল দেবের। নিজ দেশের বোর্ডের তরফ থেকেও সাবেক ভারতীয় অধিনায়ক তাদের এমন আচরণের জন্য শাস্তি চেয়েছেন। ভারতের এক গণমাধ্যমকে কপিল দেব বলেন, আমি দেখতে চাই দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য বোর্ড (বিসিসিআই) খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। ক্রিকেট প্রতিপক্ষকে অপমান করার বিষয় নয়। আমি নিশ্চিত, যুবা তারকাদের শাস্তি দেয়ার এটাই যথেষ্ট কারণ রয়েছে। আমি বলব যে, যুবারা ক্রিকেট মাঠে যে নোংরামি প্রদর্শন করেছে তা মেনে নেয়া যায় না।

একই সুরে আরেক সাবেক অধিনায়ক আজহার উদ্দিনের কণ্ঠেও, আমি হলে এসব অনূর্ধ্ব-১৯ খেলোয়াড়দের বিপক্ষে পদক্ষেপ নিতাম। একই সঙ্গে আমি জানতে চাই, এসব যুবা খেলোয়াড়দের যথাযথ শিক্ষা দেয়ার জন্য দলের সাপোর্ট স্টাফের ভূমিকাটা কী? দেরি হয়ে যাওয়ার আগে এখনই কিছু করা উচিত। এসব ছেলেদের অবশ্যই শৃঙ্খলার মধ্যে থাকতে হবে।