ডেস্কঃ
অনেকেরই গাড়িতে বা বাসে ভ্রমণ করলে বমির সমস্যা দেখা দেয়। কয়েকটি পরামর্শ মেনে চললে ভ্রমণে বমির সমস্যা থেকে বেঁচে থাকা যায়।

১. বিজ্ঞানীরা বলছেন, ভ্রমণে বমি হওয়ার মূল কারণ হলো কান। গাড়ির ঝাঁকুনিতে কানের ভেতরের ফ্লুইড নড়াচড়া করে। এতে ব্রেন মনে করে দেহটা নড়ছে। অন্যদিকে চোখ ব্রেইনকে বলে দেহ স্থির আছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্রেন ঠিক বুঝে উঠতে পারে না কি করা উচিত, তখনই বমির সমস্যা দেখা দেয়।
এই তথ্য মতে, কেউ যদি গাড়িতে বা বাসে উঠেই ঘুমিয়ে পড়ে কিংবা ঘুমের ভান করে থাকে, তাহলে তার বমি হওয়ার সম্ভাবনা পুরোপুরি কমে যায়। কারণ ঘুমিয়ে গেলে কিংবা ঘুমের ভান করে থাকলে চোখ ব্রেনকে কানের বিপরীত তথ্য দেয় না এবং ব্রেনও বিভ্রান্ত হয় না।

২. চলতি গাড়িতে দৃষ্টি আবদ্ধ রাখবেন না। গাড়ির ভেতরে দৃষ্টি আবদ্ধ রাখলে বমির সম্ভাবনা বেড়ে যায়। জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকুন। সানগ্লাস পড়া থাকলে বমির সম্ভাবনা অনেকটা কমে আসে।

৩. বই বা পত্রিকা পড়লে কিংবা মোবাইল টিপলে বমির সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৪. পেছেনের দিকে বা উল্টোমুখো হয়ে গাড়িতে বসবেন না। কেননা এতে মাথা ঘুরে বমি হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।

৫. সামনের দিকে জানালার পাশে বসুন। জানালা খোলা রাখুন। বাইরের হাওয়া বমি ঠেকিয়ে রাখতে সাহায্য করে।

৬. যাত্রা শুরুর আগে ভরপুর খাবেন না। বেশি পানি পান করবেন না। ভরা পেটে সহজেই বমি চলে আসে।

৭. আদা কিংবা চুইংগাম চিবুলে বমির ভাব কেটে যায়।

৮. চকলেট কিংবা দুগ্ধজাতীয় খাবার খেয়ে বাসে উঠলে বমি হওয়া অনেকটা নিশ্চিত।

৯. বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুল মুঠিবদ্ধ করে রাখলে বমির ভাব কেটে যায়।

১০. গাড়িতে উঠার আগে বমির ওষুধ খেয়ে নিলে ভালো উপকার পাওয়া যায়। এক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে ওষুধ নির্ধারণ করবেন।