নোতুন খবর.কম :
উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত হয়েও অদৃশ্য কারণে কোন কর্ম সংস্থান না হওয়ায় কর্মসংস্থান নাহয় স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের অনুমতি চেয়েছেন বগুড়া সোনাতলার পাকুল্লা ইউনিয়নের হুয়াকুয়া গ্রামের হানিফ উদ্দিন ব্যাপারীর ছেলে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী এস এম বাহার উদ্দিন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে তিনি এই আবেদন জানান।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষে তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাষ্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। ব্যক্তি জীবনে শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও নিজেকে সক্রিয় রেখেছিলেন। ২০০২ সালে পাকুল্লা ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবীতে ২০১২ সালে গণজাগরণ মঞ্চে একমাত্র দৃষ্টি প্রতিবন্ধী হিসেবে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও ফলাফল পর্যন্ত অপেক্ষা করেন। আদর্শিক অমিলের কারনে ২০১২ সালে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে স্যার এফ রহমান হলের ২য় তলা থেকে ছাত্র শিবিরের ছেলেরা ধাক্কাদিয়ে ফেলে দেয়। তাৎক্ষনিক আমি প্রাণে বেচে দগলেও সামনের একটি দাত হারাই।
তিনি বলেন, স্নাতকোত্তর করে গত ছয় বছরে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস কমিশনের সকল নিয়ম মেনে বিজ্ঞপ্তি অনুসারে সরকারের একাধিক পদে নিয়োগ প্রার্থী হিসেবে আবেদন করি। ফলাফল প্রাপ্তি মতই পরীক্ষা দিয়েছি। কিন্তু অদৃশ্য কারনে কৃতকার্য্য হতে পারিনি।
তিনি বলেন, এমন অবস্থা আমরা উচ্চ শিক্ষিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা যদি আমাদের সার্টিফিকেটগুলি গলায় ঝুলিয়ে ভাঙ্গা থালা হাতে নিয়ে জাতির দারস্ত হই তবে মুজিবের বাংলায় লজ্জাকি তুমি পাবেনা বাংলা মা।
তিনি এদেশের একজন নাগরিক ও একজন মানুষ হিসেবে সরকারের প্রতি আবেদন জানিয়ে বলেন, ‍‍‌‌”আমাদের যথাযথ কর্মসংস্থান নিশ্চিত করুন অথবা আমাদেরকে স্বেচ্ছায় মৃত্যুবরণের অনুমতি প্রদান করুন”।