সুদর্শন কর্মকারঃ নওগাঁর রাণীনগরে সনাতন ধর্মালম্বীদের মাঘীপূর্ণীমা উপলক্ষ্যে প্রতি বছরের ন্যায় রবিবার দিনব্যাপী বিরাট গঙ্গাস্নান, সন্যাস ঠাকুরের পূজা কালীপূজা ও লীলাকর্ত্তন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শ্রী রামনাথ চন্দ্র দাসের সার্বিক ত্বত্তাবধানে ও পরিচালনায় উপজেলার প্রাচীনতম ঘাটাগন-দিঘীরপাড় যুগ্নীতলা মন্দির ও মহাশ্মশান ঘাটে দিনব্যাপী এসব অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, বীরমুক্তিযোদ্ধা রবিন্দ্রনাথ রায়, জগনাথ দাস, বীরন্দ্রনাথ দাস, নারায়ন দাস প্রমুখ।

নওগাঁ জেলার রাণীনগর ও বগুড়া জেলার আদমদীঘি এবং নন্দীগ্রাম উপজেলার সীমান্ত দিয়ে বয়ে যাওয়া নাগর নদীর পাড়ে অবস্থিত প্রাচীনতম ঘাটাগন যুগ্নীতলা মহাশ্বশ্মান মন্দিরে প্রতি বছর পৌষ মাসে মাঘী পূর্ণীমা উপলক্ষ্যে গঙ্গাস্নান, মহাদেবের পূজা, সুন্যাস ঠাকুরের পূজা, লীলাকর্ত্তন ও ঐতিহ্যবাহী মেলায় ওই এলাকার সনাতন ধর্মের নারী-পুরুষদের ঢল নামে, আনন্দ সবার সাথে ভাগাভাগি করার লক্ষ্যে নানান উৎসবে তারা মেতে উঠে।
ঘটাগন-দিঘীরপাড় গ্রামের বীরমুক্তিযোদ্ধা রবিন্দ্রনাথ রায় জানান, প্রাচীনতম এই যুগ্নীতলা মন্দির ও মহাশ্মশানে প্রায় ৫০ বছর ধরে মাঘীপূর্ণীমাতে জাকযমকপূর্ণ আয়োজনে দিনব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান হয়ে আসছে। কিন্তু শ্মশান ঘাটে আমাদের ধর্মীয় কর্মকান্ড পরিচালনা করতে নানা সমস্যার সম্মুখিন হতে হয়। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্যানিটেশন ও মন্দির সংরক্ষণের কাজ দীর্ঘ দিন ধরে অর্থাভাবে করতে না পারাই আগত পূর্ণার্থীদের অনেক অসুবিধা হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ মন্দিরটির উন্নয়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমরা সনাতন ধর্মের লোকজনরা অনেক উপকৃত হতাম।