ডেস্ক : নোয়াখালীতে পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রী (১২) কে আটক রেখে ধর্ষণের অভিযোগে সাইফুল ইসলাম নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেপ্তার সাইফুলকে কারাগারে প্রেরণ ও বিচারিক আদালতে ২২ ধারায় ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।গ্রেপ্তার সাইফুল ইসলাম জেলার সেনবাগ উপজেলার নবীপুর ইউনিয়নের বৃষ্ণপুর গ্রামের বালি বাড়ির মৃত আব্দুল গফুরের ছেলে। মামলার অপর আসামিরা হচ্ছেন- মিরাজ হোসেন, কামাল ডাক্তার, কবির হোসেন, জাকের হোসেন, মাস্টার ও ফারুক।
এ ঘটনায় সাইফুলকে প্রধান আসামি করে সাতজনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন মেয়েটির মা।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বেগমগঞ্জ উপজেলার কাদিরপুর ইউনিয়নের কাদিরপুর পাটোয়ারী বাড়ির দরজা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী (১২) এর সাথে মোবাইলে কথা বলতো মিরাজ হোসেন নামে এক যুবক। এর সূত্র ধরে গত ২১ ডিসেম্বর দুপুরে ভিকটিমকে মোবাইলে স্থানীয় কুতুবেরহাট বাজারে ডেকে আনে সাইফুল। পরে মিরাজ মাইজদীতে আছে সেখানে যাওয়ার পর তাদের বিয়ে হবে বলে মাস্টার নামে এক সিএনজি চালকের গাড়িতে ভিকটিমকে তুলে দেয় সাইফুল। মাস্টার ভিকটিমকে নিয়ে কবিরহাট হয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘুরে রাত ৮টার দিকে মাইজদী পারিবারিক বডিংয়ে নিয়ে যায়। পরে বড়িংয়ে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে কৌশলে সাইফুল তাকে আটকে রেখে ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ ভিকটিমের। পরের দিন রবিবার সকালে সিএনজিচালক মাস্টার বাড়িতে নিয়ে ভিকটিমকে আটক রেখে পরের দিন সকালে মাস্টার, কামাল ডাক্তার, কবির ও জাকের ভিকটিমকে তাদের বাড়ির সামনে রেখে পালিয়ে যায়।

সুধারাম মডেল থানার উপ-পরিদর্শক শাহ আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনায় বুধবার রাতে ভিকটিমের মা বাদী হয়ে সাইফুলকে প্রধান আসামি করে সাতজনের বিরুদ্ধে সুধারাম মডেল থানায় মামলা করেন। রাতে অভিযান চালিয়ে সাইফুলকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ভিকটিমকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।