প্রেস রিলিজ : বৃহস্পতিবার বিকেল চার টায় বগুড়া ঐতিহাসিক শহীদ খোকন পার্কে বগুড়া জেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কর্তৃক আয়োজিত মরহুম কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান এমপি স্মরণে “শোক ও স্মরণ সভা” অনুষ্ঠিত হয়। জেলা শাখার ভিপি সাজেদুর রহমান সাহীন এর সভাপতিত্বে সাধারন সম্পাদক মোঃ জুলফিকার রহমান শান্তর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নবনির্বাচিত সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন উত্তর জনপদের বর্ষীয়ান রাজনীতিবীদ বগুড়া, সারিয়াকান্দি, সোনাতলা মাটি ও মানুষের প্রিয় নেতা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিপি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সাবেক সভাপতি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক বগুড়া-০১ আসনের মাননীয় তিন বারের সফল সংসদ সদস্য মরহুম কৃষিবিদ আব্দুল মান্নান এমপি তার ৬৭ বৎসর জীবন দশায় অনেক জেল জুলুম মাথায় নিয়ে আওয়ামী লীগ এর রাজনীতি করেছেন। ১৯৫৩ সালে সালুকা গ্রামে তার জন্ম। অত্যান্ত প্রত্যান্ত অঞ্চলে যার বিচরণ সেই রাজনীতিবীদ আজ সবাইকে কাদিয়ে পরলোক গমন করিয়াছেন। ১৯৭৫ পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিপি নির্বাচিত হন। ১৯৮৩ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এর সভাপতি নির্বাচিত হন। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে সকল আন্দোলনে যিনি প্রাণের মায়া ত্যাগ করে নেতৃত্ব দিয়েছেন। সেই মহান নেতা আজ আমাদের মাঝে নেই ভাবতেই হৃদয়টা ভেঙ্গে যায়। বৈরী অবস্থার মধ্যে তিনি তাঁর দায়িত্ব প্রাণপন চেষ্টা করে পালন করেছেন। তাঁকে নিয়ে যদি বিস্তারিত বক্তৃতা বা তাঁর জীবনী বলি কয়েক সপ্তাহ লেগে যাবে। তিনি আরো বলেন আমার সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে এই মহান নেতা সারিয়াকান্দি-সোনাতলাবাসীর তিনবারের সফল এমপি তিনি সারিয়াকান্দি-সোনাতলা’র উন্নয়নের রুপকার। তিনি নদী ভাঙ্গন রোধকল্পে ঐ দুই উপজেলাকে রক্ষার জন্য ৫টি গ্রহীন বাঁধ নির্মাণ করেছেন। শুধু তাই নয় রাতদিন পরিশ্রম করে ঐ এলাকার মানুষের মুকে হাসি ফোটানোর জন্য প্রাণপন চেষ্টা করেছেন। এমন কোন রাস্তা নেই যে ঐ এলাকায় কাঁচা রয়েছে, সব রাস্তায় তিনি পাকা করেছেন। সুষম উন্নয়নের মধ্য দিয়ে তিনি মসজিদ-মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ উন্নয়ন করেছেন। ১৮ জানুয়ারী, ২০২০ইং সকাল ৭:৪৫ মিনিটে তার অকাল মৃত্যু শুধু সারিয়াকান্দি-সোনাতলাবাসীর জন্যই নয় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ এর যে ক্ষতি হয়েছে তা অপূরণীয়। মাত্র ১১ মাসের ব্যবধানে বগুড়ায় আমাদের আওয়ামী লীগ এর প্রিয় দুই অকৃত্রিম অভিভাবক আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন ও আব্দুল মান্নান’কে হারালাম। এই মহান নেতা মৃত্যুর আগে যে উন্নয়ন করেছেন আর যত উন্নয়ন পাশ করে গিয়েছেন তা আগামী পাঁচ বছরেও শেষ হবে না। সকল অতিথিবৃন্দ তাহার রুহের মাগফেরাত কামনা করে আল্লাহ সুবহানতাআয়ালার কাছে প্রার্থনা করেন তিনি যেন মমতাজ ভাই ও মান্নান ভাই সহ সকল মানুষকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করেন। প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ এর নবনির্বাচিত সাধারন সম্পাদক আফজালুর রহমান বাবু, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ এর সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক এ. কে. এম আসাদুর রহমান দুলু, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেব লীগ এর সাবেক সহ সভাপতি ম. আব্দুর রাজ্জাক, এ্যাড. জাকির হোসেন নবাব, মাসুদুর রহমান মিলন, মরহুমের পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন মোঃ জাহিদুল ইসলাম রাজু, মনতেজার রহমান মন্টু, মাহফুজুর ইসলাম রাজ। আরো উপস্থিত ছিলেন লুৎফুল বারী বাবু, এ. কে. এম এনামুল বারী টুটুল, মামুনুর রশিদ মামুন, গোলাম হোসেন, মোকসেদুল ইসলাম মানিক, রুহুল আমিন বাবুল, মোহাম্মদ আলী সিদ্দীক, নাইমুর রাজ্জাক তিতাস, নাজমুল কাদির শিপন, নুরুল আমিন শিশির, বনি ছদর খুররম, রেজাউল করিম রিয়াদ, আবু হানিফ, নুরুন্নবী সরকার, আরিফুল হক বাপ্পী, মশিউর রহমান মামুন, নাসিমুল বারী নাসিম, মশিউর রহমান মন্টি, লিটন শেখ, রোকনুজ্জামান রনি, জাকিরুল ইসলাম লিচু, সুলতান মাহমুদ প্রিন্স, মীর জোবায়ের জয়, আব্দুর রউফ, রেফাউল ইসলাম রিফাত, শাহীন আলম, গোলাম মুক্তাদির লিমন, ইমরান হোসেন রাজু, রাকিবুল ইসলাম রাজু, খালেকুন্নাহার পলি, রশ্মি স্বর্ণা, আব্দুল ওয়াদুদ পাপ্পু, নাজমুল হাসান অরেঞ্জ, আব্দুস সালাম, বিজয় এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সকল উপজেলা ও শহর শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ। শোক ও স্মরণ সভা শেষে বগুড়া সাতমাথা মুজিব মঞ্চে মুজিববর্ষ উপলক্ষে গরীব-দুঃখী অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়।