নোতুন খবর. কম:
বগুড়া টিএমএসএসের নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরা বেগমকে বর্তমান সময়ে বহুল সমালোচিত সাহেদ, ডা. সাবরিনা, জিকে শামীম বা পাপিয়ার চেয়েও ভয়ংকর দানব উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে বগুড়া প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেট পুপ্ন্ড্রু ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ গোলাম রব্বানী সংবাদ সম্মেলনে একথা বলেন।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, কুখ্যাত মামলাবাজ, অতিলোভী, পর সম্পদ হরণকারী এবং নিষ্ঠুর অত্যাচারী টিএমএসএস এর নির্বাহী পরিচালক ড. হোসনে আরা বেগম বগুড়া জেলার ততকালীন (বর্তমানে অবসরপ্রাপ্ত) জেলা ও দায়রা জজ আঃ ম মোঃ আবু সাঈদ এর হীন সহযোগিতায় ২০১৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বগুড়া জেলা কারাগারে এক জেল কেলেংকারী সংগঠিত করে।
তিনি পুপ্ন্ড্রু বিশ্ববিদ্যালয় নিভিন্ন বিসয়নিয়ে আলোকপাতের পাশাপাশী সারাদেশে আমার বিরুদ্ধে ১৪ টি মামলা দায়ের করে। বগুড়া ছাড়া অন্য জেলা গুলোতে আদালত প্রথম হাজিরাতেই জামিন দিলেও বগুড়া জেলার ততকালীন বিজ্ঞ জেলা ও দায়রা জজ আ, ম, মোঃ আবু সাঈদ ড. হোসনে আরা বেগম এর নিকট থেকে মোটা অংকের টাকা ঘুষ গ্রহণ করে প্রভাবিত হয়ে বগুড়ার আদালতে জামিন না দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়ে দেয়। প্রায় সাড়ে ছয় মাস কারাভোগের আমার আইনজীবী এ্যাড, আব্দুল কাদের মজনুকে সাথে নিয়ে আমার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একপেসে আপোষ অঙ্গীকার নামায় জোরপূর্বক স্বাক্ষর নিয়ে আরো ১৭ দিন কারাগারে আটকে রেকে মুক্তি দেয়।
গোলাম রব্বানী বলেন, আমি এই জেল কেলেংকারী ও আমার জীবনের করুন পরিনতি ক্ষয় ক্ষতি তুলেধরে জেলা ও প্রজাতন্তের সর্বোচ্চ মহলের অধিকাংশ জায়গায় আবেদন করাসহ দুদকের চেয়ারম্যান বরাবর আবেদন করি।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি ব্যাপারটি বিবেচনায় নিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রধানমন্তীর হস্তক্ষেপ চান।