নোতুন খবর.কম : বগুড়া ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সরকারি মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসোলেশন কেন্দ্র ক্ষুদ্র পরিসরে সোমবার থেকে চালুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।
গত ২৪ মার্চ হাসপাতালটিকে আইসোলেশন কেন্দ্র ঘোষনা করে সেখানে ১২০ টি বেড প্রস্তুত করা হয়। কেন্দ্রটি পুরোদমে চালুর জন্য ঢাকায় আইসিইউ ১০ সেট, পিপিই ৫ হাজার, অক্সিজেন সিলিন্ডার ৫০ টি, নেবুলাইজার ১০০ সেট, ঔষধ, ডিজিটাল এক্সরে মেশিং, বায়ো কেমিকেল এনালাইজার চাওয়া হয়। প্রথম ধাপে ১০০ পিপিই পাঠানো হয়।
হাসপাতাল ঘুরে দেখাযায়, সেবিকারা তাদের কাজ গুছিয়ে নিচ্ছে। করিডোরে দেখা যায়, ৪/৫ জন সেবিকা একসাথে বসে বিভিন্ন দোয়া পাঠ করছেন। কেউ কেউ ওয়ার্ডের মধ্যে নিজেদের কাজ ব্যাপারে আলোচনা করছেন। হাসপাতাল কতৃপক্ষ নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডাঃ শফিক আমিন কাজল জানান, সোমবার থেকে শুধু যারা গুরুতর ও শ্বাসকষ্ট আছে সেই রোগীছাড়া কাইকে ভর্তিকরা হবেনা। জরুরী বিভাগে জ্বর, সর্দি কাশির চিকিৎসা দেয়া হবে। অন্যসব রোগীর চিকিৎসা এই হাসপাতালে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আইসোলেশন কেন্দ্র ঘোষনার পর চালু না করায় সমালোচনা হচ্ছে। ঢাকায় কথাবলা হয়েছে। সোমবার থেকে এটা ক্ষুদ্র পরিসরে চালু করতে বলা হয়েছে। তিনি সমস্যার কথা তুলেধরে বলেন, চাহিদা অনুযায়ী সব পাওয়া যায়নি। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে ধার করে দুটি আইসিইউ বেড আনা হয়েছে। এখন পর্যন্ত নতুন করে ৩শ পিপিই ও আগের ১শ পিপিই মিলে ৪শ পিপিই আছে। ডিজিটাল এক্সরে মেশিংএর ব্যাপারে কোন সারানেই।
কাজল আরো জানান, করোনার পরীক্ষার জন্য বায়োসেপটিক ল্যাব টু লাগবে। সেটা এখানে নেই। শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বায়োসেপটিক ওয়ান ল্যাব রয়েছে। সেটাদিয়ে কাজ হবেনা।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন সেবিকা সাহসিকতার সাথে জানান, ভয় করে লাভ নেই। রোগীর সেবাদেয়ার কাজটাতো আমাদেরকেই করতে হবে।