ডেস্ক :
হেফাজতে ইসলামের কাউন্সিল শেষে যে কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে, তা ‘অবৈধ’ বলে দাবি করেছেন সংগঠনটির প্রয়াত আমির শাহ আহমদ শফীর অনুসারীরা।

আহমদ শফীর ‍মৃত্যুর পর হেফাজতের আমির পদটি শূন্য হয়। সেজন্য রোববার হাটহাজারীর আল জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলূম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় সম্মেলন ডাকা হলেও তাতে আমন্ত্রণ পাননি শফী সমর্থকদের অনেকে।
কাউন্সিল শেষে জুনাইদ বাবুনগরী আমির এবং মহাসচিব হিসেবে নূর হোসেইন কাসেমীকে মহাসচিব করে নতুন কমিটির নাম ঘোষণা করা হয়।
রোববার (১৫ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে সম্মেলনের সভাপতি হেফাজতের সিনিয়র নায়েবে আমিরের পক্ষে বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া বাংলাদেশের (বেফাক) মহাসচিব মাওলানা মাহফুজুল হক এ ঘোষণা দেন। একই সাথে হেফাজতের ১৫১ জনের কেন্দ্রীয় কমিটিও ঘোষণা করা হয়।

রোববার নতুন কমিঠি ঘোষণার পর মঈনুদ্দীন রুহী বলেন, এই কমিটি অবৈধ। আমরা এটা প্রত্যাখ্যান করি।
মঈনুদ্দীন রুহীর দাবি, রোববার হাটহাজারী মাদ্রাসায় হওয়া কাউন্সিলে কেন্দ্রীয় কমিটির বিভিন্ন পদে থাকা ৬৫ জনই উপস্থিত ছিলেন না।
তিনি বলেন, আমি এখন ঢাকায় আছি। সিনিয়র নেতাদের সাথে বৈঠকে বসেছি। যেহেতু গঠনতান্ত্রিকভাবে কাউন্সিল বা সিদ্ধান্ত হয়নি, তাই এর সবই অবৈধ। নিজেদের পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নিব। সময়ই বলবে আমরা কী করব। সেই সিদ্ধান্ত আপনাদের জানাব।
শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে রুহী দাবি করেছিলেন, আহমদ শফীকে পরিকল্পিতভাবে মৃত্যুর ‍মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছিল, আর তা ছিল ‘জামায়াত-শিবিরের ষড়যন্ত্র’।