ডেস্ক : সংযুক্ত আরব আমিরাতে একটি ঘড়ির দোকানে পরিচ্ছন্নতা কর্মীর কাজ করতেন এক ভারতীয় নাগরিক। দোকান পরিষ্কার করার সময় বাক্স থেকে দামি ঘড়ি চুরি করে তা ফেলে রাখতেন ডাস্টবিনে। পরে সেই ডাস্টবিন দোকানের বাইরে দিয়ে যাওয়া হলে সেখান থেকে ঘড়িগুলো বের করে সস্তায় বিক্রি করে দিতেন পাকিস্তানি দুই চোরাচালানকারীর কাছে। এভাবে ৮৬টি দামি ঘড়ি চুরি করেন তিনি। যার মূল্য ৮ দশমিক ৩ মিলিয়ন দিরহাম বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৮৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

তবে সম্প্রতি ধরা খেয়েছেন ২৬ বছর বয়সী সেই পরিচ্ছন্নতা কর্মী। গত ৬ জানুয়ারি তার বিরুদ্ধে সংযুক্ত আরব আমিরাতের নাইফ পুলিশ স্টেশনে একটি মামলা দায়ের করেন ওই দোকানের মালিক। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ের আদালত মামলাটির রায় ঘোষণা করবে।

দুবাইভিত্তিক সংবাদমাধ্যম খালিজ টাইমস জানায়, এ ঘটনায় ওই ভারতীয় পরিচ্ছন্নতাকর্মীকে আটক করা গেলেও ২৫ ও ৪৪ বছর বয়সী ওই পাকিস্তানি দুই চোরাচালানকারী এখনো পলাতক রয়েছে।

দোকানের মালিক ৫১ বছর বয়সী ইরাকি নাগরিক জানান, গোল্ড স্কয়ারে তার কয়েকটি জুয়েলারি ও ঘড়ির দোকান রয়েছে। গত বছরের ২৫ ডিসেম্বর সেখানে একটি দোকানের ডাস্টবিনের মধ্যে ৩০ হাজার দিরহাম (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৬ লাখ ৯৪ হাজার টাকা) মূল্যের একটি দামি ঘড়ি কুড়িয়ে পান তার এক কর্মচারী।

প্রথমে ঘটনাটি তেমন গুরুত্ব দেননি তিনি। কিন্তু পরবর্তীতে দোকানের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে বুঝতে পারেন ওই পরিচ্ছন্নতা কর্মীই ঘড়িটি ডাস্টবিনের মধ্যে ফেলে রেখেছিল। পরবর্তীতে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে চুরির ঘটনা স্বীকার করে সে। এ ঘটনায় তার নামে একটি মামলা দায়ের করা হয় এবং বর্তমানে আদালতে তার বিচার কাজ চলছে বলে জানান ওই দোকান মালিক।